বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে ১৬ বছরের কর্ত্তৃত্বের অবসান ঘটেছিল গত অক্টোবরে। চাপের মুখে কাজী সালাউদ্দিনকে সরে দাঁড়াতে হয়েছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচন থেকে। তবে দক্ষিণ এশিয়া ফুটবল ফেডারেশনের মসনদে আছেন এখনও। টানা চতুর্থ মেয়াদে সাফের সভাপতি তিনি। এবার সভাপতির আসনটা পঞ্চমবারের মতো করার স্বপ্ন তার। সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে গঠণতান্ত্রিক বাধাগুলোও দূর করে ফেলেছেন তিনি।
শনিবার নেপালের কাঠমান্ডুতে সাফের কংগ্রেস হয়েছে। সেখানে যাননি সালাউদ্দিন। তবে তার অনুপস্থিতিতেই তার পথের কাটা দূর করেছেন বাকীরা। সাফের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন মেয়াদের বেশি নির্বাহী কমিটিতে থাকার সুযোগ ছিল না। গঠণতন্ত্রের এই ধারা থাকলে আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ হারাতেন সালাউদ্দিন। কংগ্রেস সেই ধারা বিলুপ্ত করেছে আজ।
ক'দিন আগেই বাফুফের চার মেয়াদের সভাপতি কাজী সালাউ্দ্দিনের আস্থাভাজন মাহফুজা আক্তারকে বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। প্যারাগুয়েতে ফিফা কংগ্রেসে যাওয়া হয়নি তার। এরপর জানা গেছে, দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করছেন কিরণের বিরুদ্ধে।
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ি হামলা ও হত্যা চেষ্টার মামলার আসামী সালাউদ্দিনও আছেন দুদকের আতশী কাঁচের নিচে। তাই যদি তাকেও বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, কিংবা আটক করা হয়, সেই শঙ্কা থেকে সালাউদ্দিন কাঠমান্ডু যাওয়ার ঝুঁকি নেননি। কংগ্রেসে অংশ নিয়েছিলেন ভার্চুয়ালি। দূর থেকেই অবশ্য স্বার্থ সিদ্ধি হয়েছে তার।
মাস খানেক আগে গঠনতন্ত্র থেকে বয়স সীমা উঠিয়ে নিয়েছিলেন সালাউদ্দিন। শনিবার উঠে গেলো টানা নির্বাচন করতে না পারার ধারা। কংগ্রেস শেষে সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম কাট্টাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বসুন্ধরার স্বপ্ন বাঁচালেন মোরসালিন
রাতে হামজাদের ফাইনাল; জিতলেই ২০০ মিলিয়ন