শেষ ২০ বলে জয়ের জন্য ৫৭ রান দরকার ছিল লাহোর কালান্দার্সের। কুশল পেরেরা ও সিকান্দার রাজার উত্তাল ব্যাটিংয়ে এক বল বাকি থাকতেই সেই কঠিন সমীকরণ মিলে যায়। কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের ২০০ ছাড়ানো পুঁজি পেরোনোর পথে রেকর্ড গড়ে পিএসএলের শিরোপা জেতে সাকিব-মিরাজ-রিশাদদের লাহোর। সবশেষ চার মৌসুমে এটি তাদের তৃতীয় শিরোপা। এর আগে ২০২২ ও ২০২৩ আসরে টানা চ্যাম্পিয়ন হয় লাহোর।
লাহোরের রোমাঞ্চকর জয়ের ফলে বিদেশের মাটিতে প্রথমবার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলতে গিয়েই চ্যাম্পিয়ন হলেন রিশাদ হোসেন। যদিও ফাইনালে বল হাতে খরুচে ছিলেন বাংলাদেশের লেগ স্পিনার। ৪ ওভারে ৪২ রান খরচায় তার শিকার ১ উইকেট। সব মিলিয়ে অবশ্য টুর্নামেন্টটি ভালো কেটেছে তার। সাত ম্যাচে ওভারপ্রতি ৯.৩৩ গড়ে রান দিয়ে পেয়েছেন ১৩ উইকেট। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে সৌভাগ্যের দূত হয়ে উঠেছেন তিনি। কানাডার গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগে টরন্টো ন্যাশনালস, অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশে হোবার্ট হারিকেনস, গ্লোবাল সুপার লিগে রংপুর রাইডার্স এবং বিপিএলে ফরচুন বরিশাল রিশাদ যে দলে, শিরোপাও সেই দলের। এদিন রিশাদ খেললেও সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজ ছিলেন না একাদশে।
টস জিতে আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ২০১ রান তোলে কোয়েটা। আসরের সেরা ব্যাটার হওয়া হাসান নাওয়াজ ৮ চার, ৪ ছক্কায় ৪৩ বলে করেন ৭৬ রান। জবাবে মোহাম্মদ নাঈমের ৪৬ ও আবদুল্লাহ শফিকের ৪১ রানের পর লঙ্কান ব্যাটার কুশল আগ্রাসী ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন ৩১ বলে ৬২ রানে। ইংল্যান্ডে টেস্ট খেলে টসের স্রেফ ১০ মিনিট আগে পাকিস্তানে পৌঁছে তাণ্ডব চালান রাজা। বোলিংয়ে ১ উইকেটের পর ৭ বলে দুটি করে চার ছক্কায় করেন অপরাজিত ২২ রান। তাদের জুটিতে আসে মাত্র ১৯ বলে ৫৯ রান।
