৫ ম্যাচ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার চেয়ে ৩ ম্যাচ হারা মন্দ নয়

আপডেট : ০১ জুন ২০২৫, ০২:২৩ পিএম

শিরোনাম দেখে বলতেই পারেন, পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটা তো মাঠেই গড়াল না, এখনই হোয়াইটওয়াশের প্রশ্ন আসে কী করে? উত্তরটাও নিশ্চয়ই জানা- আরব আমিরাত এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ চার ম্যাচে লিটন দাসদের যা পারফর্মেন্স- তাতে আজ জয়ের আশা করাটা একটু বাড়াবাড়িই বটে! সিরিজের শেষ ম্যাচটা যদি বাংলাদেশ আজ জিততে পারে, তাহলেই এই শিরোনাম ভুল প্রমাণিত হবে।

ইতোমধ্যেই টানা দুই সিরিজ হেরে টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ের দশম স্থানে নেমে গেছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজটি ৫ ম্যাচের হওয়ার কথা ছিল। পরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ক্রিকেটারদের দাবির মুখে সেটা তিন ম্যাচে নামিয়ে আনা হয়। বিশ্লেষকেরা বলছেন, পাঁচ ম্যাচ হেরে হোয়াইটওয়াশড হলে র‌্যাংকিংয়ের দশের নিচে নেমে হয়তো ১৫ নম্বরে থাকা আরব আমিরাতের কাছাকাছি চলে যেত লিটন দাসের দল! তার চেয়ে বরং তিন ম্যাচই ভালো।

২০২১ সালের ডিসেম্বরের পর এই প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে পাকিস্তান। তবু কামরান আকমল বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে খেলে পাকিস্তানের কোনো উন্নতি হবে না! এমন পরিস্থিতিতে সিরিজের শেষ ম্যাচটা নিছকই আনুষ্ঠানিকতার। অধিনায়ক হিসেবে লিটন দাসের পরিণতবোধের অভাব নিয়ে নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে সমালোচনা করেছেন রমিজ রাজা। দ্বিতীয় ম্যাচে তাওহীদ হৃদয়ের সঙ্গে রান নেওয়া নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির পরের বলে এলোপাতাড়ি ব্যাট চালানোটাকে রমিজ মনে করছেন তার অনিয়ন্ত্রিত আচরণেরই বহিঃপ্রকাশ।

বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা হতাশ করছেন প্রতিনিয়ত। লেট অর্ডারে তানজিম হাসান সাকিব ব্যাট হাতে হাফসেঞ্চুরি করে লজ্জায় ফেলেছেন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের। ব্যাটিংয়ের সময় অধিনায়ক লিটন দাসকে দেখে আতঙ্কিত মনে হচ্ছে। তাই লাহোরে আজ বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিটা হয়ে গেলেই বোধহয় হাঁপ ছেড়ে বাঁচেন ক্রিকেটাররা। ফলাফল যাই হোক না কেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত