গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় আব্দুল খালেক মিয়া (৩৫) নামের প্রতিবন্ধী এক ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শরীয়তপুরের নড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আবু সিদ্দিক ঢালী (৫৮) নামের এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে ।
গতকাল শুক্রবার সকালে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাইহাট এলাকায় কৃষি ব্যাংক সংলগ্ন একটি বাগান থেকে আব্দুল খালেক মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আব্দুল খালেক মিয়ার বাড়ি উপজেলার হরিরামপুর ইউপির হরিপুর গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নাকাইহাটে পানের ব্যবসা করতেন।
নিহতের স্বজনরা জানায়, গত বৃহস্পতিবার হাটে যান খালেক। এরপর আর বাড়িতে ফিরেননি।
নিহতের বড় ভাই আলম মিয়া বলেন, ‘আমার ভাই শারীরিক প্রতিবন্ধী ও সহজ-সরল প্রকৃতির মানুষ। যারা তাকে এভাবে হত্যা করেছে,তাদের গ্রেপ্তার করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিচার চাই।’
গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি বুলবুল ইসলাম বলেন, এ হত্যাকা-ের রহস্য উদঘাটনের জন্য পুলিশ কাজ করছে।
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কৃষককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আবু সিদ্দিক ঢালী (৫৮) নামের এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের চান্দনী নদীরপাড় থেকে বাড়িতে ফেরার সময় আশরাফ আলী ছৈয়ালের বাড়ির সামনে আবু সিদ্দিককে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। আবু সিদ্দিক ঢালী ওই ইউনিয়নের চান্দনী গ্রামের মৃত শহি ঢালীর ছেলে। তিনি কৃষক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আবু সিদ্দিক ঢালীর সঙ্গে একই এলাকার মিন্টু ছৈয়ালের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। এর আগেও দুপক্ষের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্র্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে চান্দনী নদীরপাড় থেকে বাড়ি ফেরার সময় আশরাফ আলী ছৈয়ালের বাড়ির সামনে ওত পেতে থাকা চন্দনি এলাকার মিন্টু ছৈয়াল ও তার লোকজন আবু সিদ্দিককে কুপিয়ে আহত করে।
নিহত আবু সিদ্দিক ঢালীর ভাই জুলহাস ঢালী বলেন, ‘চান্দনীর মিন্টু ছৈয়াল, রাব্বি ছৈয়াল, ইসাহাক ছৈয়াল, আবু কালাম ছৈয়ালসহ বেশ কয়েকজন মিলে আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। আমি হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করব। আমি এই হত্যার বিচার দাবি করছি।’
এ ব্যাপারে মিন্টু ছৈয়ালের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।
নড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ড. আশিক মাহমুদ বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
