বিজয়নগরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ 

আপডেট : ১৫ জুন ২০২৫, ১০:২১ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে নবম শ্রেণি পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে জোড়পূর্বক ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত অবস্থায় ওই ছাত্রী বর্তমানে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। 

তিনি বিজয়নগর উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী । ঘটনার দুই দিন পর ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে বিজয়নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। 

জানা যায়, গত ৮ জুন সন্ধ্যা রাতে উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় একই উপজেলার বাসিন্দা প্রবাসী মন্নর আলীর (৪৫) নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।  

মামলার এজাহারে বলা হয়, ভিকটিম স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ভিকটিম তার খালাতো বোনের বাড়ি যায় এবং সেখান থেকে একা বাড়ি ফেরার পথে তাদের রান্না ঘরের উত্তর পাশে পেছনের একটি গাছের নিচে পৌঁছালে ধর্ষণকারী ও তার ১/২ জন সহযোগী ব্যক্তি তাকে ঝাঁপটে ধরে ওড়না দিয়ে নাক, মুখ ও চোখ বেঁধে ফেলে। এরপর তারা মেয়েটিকে পাশের বাড়ির একটি ঘরে নিয়ে যায়, যেটি অভিযুক্ত মন্নর আলীর বাড়ির ভাড়াটিয়া হাসনা বেগমের ব্যবহৃত ঘর। এই ঘরে নিয়ে দরজা-জানালা বন্ধ করে ভিকটিমকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়।

একপর্যায়ে আসামিরা খাটের নিচ থেকে ইট তুলে ছাত্রীর মাথায় আঘাত করে এবং তার হাত-পা বেঁধে তাকে ধর্ষণ করা হয়। ভিকটিম ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে মুখের বাঁধন খুলে ফেলে এবং চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দরজা ভেঙে তাকে বিবস্ত্র, রক্তাক্ত ও হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে। কৌশলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের বাবা স্থানীয়দের সহায়তায় গুরুতর অবস্থায় মেয়েটিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যান এবং সেখানে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 

এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহীদুল ইসলাম জানান, এই ঘটনায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত