গাজীপুরের শ্রীপুরে বুষ্টির রাতে তালা ভেঙে কমিউনিটি একটি ক্লিনিকে চুরি হয়েছে। শনিবার মধ্যরাতের কোনও এক সময় এ চুরির ঘটনা ঘটেছে। ভোরে লোকজন নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার সময় ক্লিনিকের তালা ভাঙা দেখে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারে। পরে খবর পেয়ে দায়িত্বশীল ক্লিনিক কর্মীরা ক্লিনিকে এসে ভিতরের নানা জিনিপত্র চুরি হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন।
উপজেলার মাওনা দক্ষিণ পাড়া লিয়াকত আলীর বাড়ির পাশের কমিউনিটি ক্লিনিকে চুরির এ ঘটনা ঘটে। এর আগেই পৌরশরের লোহাগাছ কমিউনিটি ক্লিনিকে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। এ ঘটনায় উপজেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আইনের আশ্রয় নিয়েছেন। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে নিরপত্তাকর্মী বা নৈশপ্রহরী না থাকায় চুরি ঠেকানো যাচ্ছে না বলে দাবি করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকতা।
মাওনা দক্ষিণ পাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচপি) শরীফা আক্তার স্মৃতি জানান, শনিবার নিয়মিত অফিস শেষ করে দুপুরের পর ক্লিনিকেতালা দিয়ে তিনি বাড়িতে চলে যান। যাওয়ার সময় কমিউনিটি ক্লিনিকের ভেতরে দুটি কক্ষ ও মূল ফটকে তালা দিয়ে রিচেক করে যান। এরপর আজ ভোরে ক্লিনিকের পাশের মসজিদের ইমাম ফোন দিয়ে জানান কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রধান দরজা খোলা। খবর পেয়ে তিনি এসে দেখতে পান প্রধান দরজাসহ ক্লিনিকের তিনটি দরজার তালা ভেঙে পড়ে আছে।
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এর আগেও লোহাগাছ কমিউনিটি ক্লিনিকে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কোনও ক্লিনিকেই নিরাপত্তার জন্য পাহারাদারের কোনো ব্যবস্থা নেই। সবগুলো ক্লিনিকই অরক্ষিত পড়ে থাকে। ক্লিনিকে নৈশপ্রহরীর ব্যবস্থা না করা গেলে চুরি ঠেকানো যাবে না। নিয়মিত চুরির ঘটনা ঘটতে থাকলে এতে প্রান্তিক মানুষের ভরসা কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবা প্রদান চরমভাবে ব্যাহত হবে।
ভাইয়ের পথেই জোব বেলিংহ্যাম, করলেন অভিষেকে গোল
সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের তিন সন্তানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা 