চট্টগ্রামে ভুল চিকিৎসায় প্রজ্ঞা নন্দী (১৫) নামে অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী মারা যাওয়ার অভিযোগে আদালতে মামলা করেছে পরিবার।সোমবার (২৩ জুন) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সিদ্দিকের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন।
পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসকের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসাতেই মৃত্যু হয়েছে কিশোরী প্রজ্ঞার। তার বাবা পলাশ কুসুম নন্দী এ বিষয়ে তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে নালিশি মামলা করেছেন।
বাদীর আইনজীবী পার্থ প্রতীম নন্দী বলেন, আদালত মামলা আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, প্রজ্ঞা দীর্ঘদিন ধরে মাইগ্রেনে ভুগছিল। গত ২ জুন হঠাৎ বমি ও দুর্বলতা শুরু হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে নিউলাইফ হসপিটালে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক তখন পরীক্ষা না করেই জানান, ভর্তি লাগবে না, কেবল স্যালাইন দিলেই হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রজ্ঞাকে স্যালাইন দেওয়া হয়। এরপর কোনো পরীক্ষা ছাড়াই ইনজেকশন পুশ করা হয় ক্যানোলার মাধ্যমে। ২০ মিনিটের মধ্যেই মেয়েটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তৎক্ষণাৎ কোনো বিশেষজ্ঞ ডাকা হয়নি। বারবার অনুরোধ করার পরও হাসপাতালের পক্ষ থেকে বলা হয়, সময় লাগবে। একপর্যায়ে বিকেলে প্রজ্ঞাকে ভর্তি করা হলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়া সত্ত্বেও রাত ১০টার দিকে দেওয়া হয় ছাড়পত্র। এরপর দ্রুত অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, মেয়েটি অনেক আগেই মারা গেছে।
প্রজ্ঞার বাবা পলাশ কুসুম নন্দী বলেন , প্রজ্ঞার মাইগ্রেনের সমস্যা ছিল আগে থেকে। তাকে নিয়ে গিয়েছিলাম চিকিৎসকের কাছে, ভেবেছিলাম সামান্য স্যালাইন দিলেই ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু যে চিকিৎসকের ওপর ভরসা করে আমরা মেয়েকে ওখানে নিয়ে গিয়েছিলাম, তারা বললেন ভয়ের কিছু নেই, ভর্তি লাগবে না। এরপরই ইনজেকশন দিল। ঠিক ২০ মিনিটের মধ্যেই মেয়েটা চোখ বন্ধ করে ফেলে।
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপলেন ট্রাম্প
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কর্ণফুলী টানেলের ডেকোরেশনে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, আহত ২