সরকার পরিবর্তনের পরও শেখ হাসিনার সরকারের আমলে গুম হওয়া ব্যক্তিরা ফিরে না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তাদের স্বজনরা বলেছেন, গুমের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিচার হচ্ছে না। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হেফাজতে নির্যাতনের বিচার, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে আয়োজিত এক জাতীয় পরামর্শ সভায় তারা এ কথা বলেন।
স্বজনরা বলেন, ‘আর কত কান্না করলে, আর কতদিন স্বজনের ছবি বুকে নিয়ে ঘুরলে গুম-খুনের বিচার পাব।’ সে সময় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনের সুযোগ না দেওয়ারও সমালোচনা করেন তারা।
২০১৩ সালের ডিসেম্বরে শাহবাগ থেকে তুলে নেওয়া হয় তৎকালীন বংশাল থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ হোসেনকে। অনুষ্ঠানে তার ১২ বছর বয়সী মেয়ে আদিবা ইসলাম হৃদি বলে, ‘৫ আগস্টের পর ভেবেছিলাম, আমার বাবা ফিরে আসবেন। আমি বাবাকে ছুঁয়ে দেখব। কিন্তু ১০ মাস হয়ে গেলেও বাবা ফিরে এলেন না।’
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মায়ের ডাকের সংগঠক সানজিদা ইসলাম। আরও বক্তব্য দেন বিএনপির মানবাধিকার কমিটির সদস্য ফারজানা শারমিন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, এসডব্লিউএবির চেয়ারম্যান এসএম রাশেদুজ্জামান, মায়ের ডাকের সমন্বয়ক আফরোজা ইসলাম, পুলিশের গুমের শিকার সাভারের সাংবাদিক নাজমুল হুদা প্রমুখ।
