নোয়াখালীর হাতিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে একটি পুকুরে কুমির দেখা গেছে- এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হলে জাল ফেলে বনবিভাগের কর্মকর্তারা কোন কুমিরের অস্তিত্বও পাননি। এদিকে স্থানীয়দের বরাতে একাধিক ছবি সোস্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ছবিগুলো কারা উঠিয়েছে তার সত্যতা মেলেনি।
এর আগে স্থানীয়রা দাবি করেন, বিশাল আকারের একটি কুমির কয়েকবার মাথা ও পিঠ তুলে ভেসে উঠেছিল। কুমির আতঙ্কে রাত জেগে পাহারাও দিয়েছেন বাসিন্দারা।
পুকুরের মালিক মাসুদ শরীফ জানান, তিনদিন আগে এক দোকানদার তার বাড়ির পাশে কুমির দেখতে পান। পরে বুধবার বিকেলে তার স্ত্রী পুকুরে কুমিরটি দেখে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিস ও বনবিভাগকে জানান। তারা এলেও কুমির উদ্ধার না করেই ফিরে যায়।
পরদিন (২৬ জুন) বনবিভাগ পুকুরে জাল ফেলেও কুমিরের কোনো অস্তিত্ব পায়নি। উপকূলীয় বন বিভাগের কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিল জানান, ১০ জন জেলে দিয়ে তল্লাশি চালানো হলেও কিছু পাওয়া যায়নি পুকুরে। তাদের ধারণা, মানুষ বড় আকারের গুইসাপ দেখেই কুমির ভেবে সাধারণ মানুষ তা প্রচার করলে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। বনবিভাগ
কর্মকর্তা জানান, পুকুরের চারপাশ পাকা হওয়ায় কুমির প্রবেশের সম্ভাবনাও নেই।
তবে স্থানীয়রা এখনও আতঙ্কে আছেন এবং পুকুর এলাকায় শিশুদের যেতে নিষেধ করছেন। বিষয়টি নজরে রাখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বনবিভাগ।
