হেডিংলি টেস্টে নাটকীয় জয়ের পর এবার এজবাস্টনে ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামতে প্রস্তুত ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন স্টোকস। আগের ম্যাচে অতিরিক্ত পরিশ্রমে ক্লান্ত হয়ে পড়লেও এবার নিজেকে পুরোপুরি তৈরি বলে জানালেন এই অলরাউন্ডার। পাশাপাশি হেডিংলির দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করা রিশাভ পান্তের ব্যাটিং নিয়েও উচ্ছ্বসিত প্রশংসা ঝরেছে স্টোকসের কণ্ঠে।
স্টোকস বলেন, “রিশাভের খেলা দেখতে আমি দারুণ উপভোগ করি। ও যেভাবে খেলাটা নেয়, সেটা একেবারেই আলাদা। অনেক সমালোচনার মধ্য দিয়ে গেছে, কিন্তু এমন প্রতিভাকে স্বাধীনভাবে খেলতে দিলে কী হতে পারে, লিডসেই সেটা আমরা দেখেছি। দুটি দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেছে—তাতে ওর প্রাপ্য কৃতিত্ব অবশ্যই আছে।”
হেডিংলির সেই ম্যাচে পান্তের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে বোলিংয়ের সময় ভোগান্তির মুখে পড়েছিলেন স্টোকস নিজেই। তা সত্ত্বেও সতর্কতার সুরে তিনি বলেন, “রিশাভ যেভাবে খেলে, তাতে আমাদের সুযোগ তৈরি হতেই পারে। অন্য কোনো দিন হয়তো ওর শট হাতেই ধরা পড়ত। তবে এটা ঠিক যে, ও খুবই ভয়ংকর ব্যাটার। ভারতের জন্য ও কী নিয়ে আসে, সেটা আমরা ভালোই জানি।”
ভারতের ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য নিয়েও সতর্ক স্টোকস। “ভারত সবসময়ই দৃঢ়ভাবে ফিরে আসে, খুব আবেগপ্রবণ দল ওরা। আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদদের ওপর চাপ সবসময়ই থাকে, কিন্তু ভারতের ক্ষেত্রে সেটা আরও বেশি, বিশেষ করে ক্রিকেটে। ওরা খুব গর্বিত এক জাতি। তাই আমরা হেডিংলির জয় নিয়ে কিছুই ধরে নিচ্ছি না। এখন স্কোর আবার ০-০। নতুন করে শুরু করতে হবে আমাদের।”
স্টোকস নিজেও লিডসের ম্যাচের ধকল এখনও ভুলতে পারেননি। পাঁচ দিন রুদ্ধশ্বাস লড়াই, ২০০ ওভারের বেশি ফিল্ডিং, আর ৩৫ ওভার বল করে ৫ উইকেট—সব মিলিয়ে শরীর-মন দুই-ই চরম ক্লান্ত ছিল।
“বৃহস্পতিবার-শুক্রবার আমি একেবারে শেষ। তিন দিন কিছুই করিনি, যেন নিজের ছায়া হয়ে গিয়েছিলাম। তবে এখন ভালো লাগছে, পুরোপুরি ফিট মনে হচ্ছে নিজেকে,” বলেন স্টোকস।
আলকারাজ বললেন, ‘এমা যা বলবে, আমি তাই করব!’
১৮ বছর পর ‘পঞ্চপাণ্ডব’হীন ওয়ানডেতে বাংলাদেশ