ইউক্রেনে কিছু অস্ত্রের চালান স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০২৫, ১২:৩০ এএম

ইউক্রেনে কিছু অস্ত্রের চালান স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের নিজস্ব মজুদ অনেক কমে গেছে, যা রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান আক্রমণ প্রতিরোধ করার চেষ্টায় ইউক্রেনের জন্য বড় ধাক্কা। গতকাল বুধবার দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে সহায়তা করার জন্য বাইডেন প্রশাসনের অধীনে ইউক্রেনকে এ অস্ত্র সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের মজুদ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে উদ্বেগ প্রকাশ করার পর চালান স্থগিতের পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র আনা কেলি এক বিবৃতিতে বলেন, বিশ্ব জুড়ে অন্যান্য দেশগুলোতে সামরিক সহায়তা এবং সহায়তা পর্যালোচনার পর যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থকে প্রথমে রাখার জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নয়তো যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি নিয়ে প্রশ্নের কোনো সুযোগ নেই। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দেশটির এক কর্মকর্তা বলেন, পেন্টাগনের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পূর্বে প্রতিশ্রুতি দেওয়া কিছু অস্ত্রের মজুদ খুব কমে গেছে। তাই কিছু জিনিসপত্রের চালান পাঠানো হবে না। তবে কোন ধরনের অস্ত্রের চালান দেওয়া হচ্ছে না তা নিয়ে বিস্তারিত জানায়নি প্রতিরক্ষা বিভাগ। যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্ত ইউক্রেনের জন্য এক ধাক্কা।

এদিকে, রাশিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত এবং ৪৫ জন আহত হয়েছে। রুশ কর্র্তৃপক্ষের বরাতে বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সীমান্ত থেকে এক হাজার কিলোমিটার দূরে রাশিয়ার ইজেভস্ক শহরের একটি কারখানায় ওই হামলা হয়। আহতদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন উদমুর্তিয়ার গভর্নর আলেকজান্ডার ব্রেচালভ। তিনি আরও বলেন, তিনি হামলার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনকে জানিয়েছেন। পরে এ অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। বিবিসি জানায়, ড্রোনগুলো কুপোল ইলেক্টোমেকানিক্যাল প্ল্যান্টকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এটি একটি সামরিক কারখানা, যা টর সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম এবং রাডার স্টেশন তৈরি করে থাকে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত