কলম্বোর প্রেমাদাসায় শুরুটা স্বপ্নের মতোই হয়েছিল। তানজিদ হাসান তামিম খেলছিলেন দুর্দান্ত, নাজমুল হোসেন শান্তর রানআউটের আগ পর্যন্ত উইকেট হারানোর শঙ্কাই দেখা যাচ্ছিল না। ১০০ রান উঠেছিল মাত্র ১৬.২ ওভারে, তাও মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে। কিন্তু এরপরই যেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ব্যাটিং লাইনআপে নেমে আসে ধসের সুনামি।
মাত্র ২৭ বলের ব্যবধানে ৫ রানে হারিয়ে বসে ৭টি উইকেট! ১০০/১ থেকে মুহূর্তেই স্কোর হয়ে যায় ১০৫/৮। পরিসংখ্যান বলছে, ওয়ানডে ইতিহাসে দ্বিতীয় থেকে অষ্টম উইকেট এত কম রানে কখনোই হারায়নি কোনো দল। তবে ইনিংসের যেকোনো পর্যায়ে সবচেয়ে কম রানে ৭ উইকেট হারানোর নজির এটি নয়।
এই বিব্রতকর রেকর্ডটি এখনও রয়েছে জিম্বাবুয়ের দখলে। ২০০৮ সালে হারারেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১২৪/৩ থেকে মাত্র ৩ রান যোগ করেই অলআউট হয়ে গিয়েছিল তারা—স্কোরবোর্ডে তখন ১২৭ রান। শেষ ৭ উইকেট খুইয়েছিল মাত্র ৩ রানে।
বাংলাদেশও অতীতে এমন ধসের মুখোমুখি হয়েছে একাধিকবার। ২০১৪ সালে মিরপুরে ভারতের বিপক্ষে ১০৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে একপর্যায়ে স্কোর ছিল ৫০/৩। সেখান থেকে ৮ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ৫৮ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ। সে ম্যাচে ডিএল পদ্ধতিতে হেরেছিল ৪৭ রানে।
আর ২০২3 সালে শারজায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ১১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা, পরাজয় হয়েছিল ৯২ রানে।
গতকালের ম্যাচ শেষে তাই ভক্তদের মনে সেই পুরনো প্রশ্নই ফিরে এসেছে—স্টার্টটা ভালো হলে এমন ধস কেন? তানজিদ, শান্তর ব্যাটে যেমন শুরু, মিডল অর্ডারে তেমন ছন্দপতন। আর এমন ভাঙনের পরও রেকর্ড বইয়ের পাতায় স্বস্তি খুঁজতে হচ্ছে—এই রেকর্ডটা অন্তত বাংলাদেশের এক নম্বরে নয়!
ট্রাম্পের আদেশে কেড়ে নেওয়া হচ্ছে ট্রান্সজেন্ডার সাঁতারুর পদক
উইম্বলডনের তৃতীয় রাউন্ডে আলকারাজ