দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মোমিনপুর দারুল হুদা দাখিল মাদ্রাসা এবং পূর্ব হোসেনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংখ্যা ৩৭ জন। এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় অংশ নেন ১৭ শিক্ষার্থী। তবে একজন শিক্ষার্থীও সে পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি। পার্বতীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, মোমিনপুর দারুল হুদা দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষক ১৮ জন। দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১১ শিক্ষার্থী। পূর্ব হোসেনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক ১৯ জন। কারিগরি পরীক্ষার্থী ছিল ছয়জন। উভয় প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী এবার পাস করতে পারেনি। ওই দুই প্রতিষ্ঠানের একাধিক অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষকরা ঠিকমতো মাদ্রাসায় আসেন না এবং ক্লাস নেন না। তাই ফল এমন হয়েছে। আমরা অভিভাবক হতাশ হয়েছি।
মোমিনপুর দারুল হুদা দাখিল মাদ্রাসা সুপার মো. আনিছুর রহমান জানান, অঙ্ক ও ইংরেজিতে ছেলে-মেয়ে রেজাল্ট খারাপ করেছে। যার ফলে পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে পারেনি। ভবিষ্যতে আশা করছি ভালো করবে।
পূর্ব হোসেনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইউনুছ আলী জানান, এবার এসএসসি ফরম পূরণকালীন অবস্থায় ৫ শিক্ষার্থী বিয়ে হয়ে যায়। এরপর পরীক্ষা চলাকালীন আরও এক পরীক্ষার্থীর বিয়ে হয়। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, তার প্রতিষ্ঠানের ফল তিনি এখনো দেখেননি।
এ ব্যাপারে পার্বতীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিরাজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ দুটি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার জন্য শিগগিরই নোটিস করা হবে।
