পল্টনের উডেন ফ্লোর স্টেডিয়ামে উৎসবমুখরতার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ৩৯তম ব্যাডমিন্টনের জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ। পুরুষ এককের শ্রেষ্ঠত্বের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রেখে টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাংলাদেশ আনসারের খন্দকার আবদুস সোয়াদ। আর নারী ব্যাডমিন্টনে মিলেছে নতুন সেরা মুখ। নারী একক, দ্বৈত এবং মিক্সড দ্বৈত মিলিয়ে ট্রিপল ক্রাউন উঠেছে নাছিমা খাতুনের মাথায়।
নারী এককের শেষ দুবারের চ্যাম্পিয়ন উর্মি আক্তারকে হারিয়ে শিরোপা জেতেন পাবনার নাছিমা। তাতে হ্যাটট্রিক শিরোপা থেকে বঞ্চিত হন উর্মি। নাছিমার কাছে ফাইনালে হেরেছেন ১২-২১, ২১-১৭ ও ২১-১৭ গেমে। নাছিমা খেলছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হয়ে, আছেন সৈনিক পদে। ক্যান্টনমেন্ট কলেজে এইচএসসিতে পড়ুয়া শাটলার বলেছেন, ‘প্রথম গেম হারলেও আত্মবিশ্বাস হারাইনি। জানতাম পারবো। এখন লক্ষ্য আন্তর্জাতিক সাফল্য। এসএ গেমসে চাই পদক জিততে।’
নারী দ্বৈতে উর্মি-রেশমা জুটিকে হারান বৃষ্টির সঙ্গে জুটি বাধা নাছিমা। প্রথম সেট ২১-১৫ ব্যবধানে জিতলেও পরেরটা হারেন ১৮-২১ গেমে। শেষ সেট ২১-১৪ ব্যবধানে জিতে নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেন নাছিমা-বৃষ্টি জুটি। মিক্সড দ্বৈতে সিফাত উল্লাহর সঙ্গে জুটি বেধে ২১-১৬ ও ২৩-২১ পয়েন্টে জুমার-উর্মিকে হারানোয় নিশ্চিত হয় নাছিমার ট্রিপল ক্রাউন।
পুরুষ এককের ফাইনালে সোয়াদের সাথে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারেননি আল আমিন জুমার। জুমারকে ২১-১৪, ২১-৪ ব্যবধানে হারিয়ে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হন সোয়াদ। বলেছেন, ‘চোটের জন্য এক মাস প্র্যাকটিস করতে পারিনি। ফিরে এসে নিজেকে প্রমাণের চাপ ছিল। আয়মান ভাই এসেছেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে, অন্যরাও ভালো খেলেছেন। এই প্রতিযোগিতা সহজ ছিল না। অন্যবারের চেয়ে কঠিনই ছিল।’ পুরষ দ্বৈতের অল পুলিশ ফাইনালে নাঈম-মিজান জুটি ২১-৮, ২১-১৪ পয়েন্টে অহিদুল-রাইদ জুটিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হন।
মিরপুর অনেক ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার 'ডাউন' করে দিয়েছে: লিটন