গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমানের মাইলস্টোন স্কুলে ধ্বসে পড়ার ভয়াবহ ঘটনায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত। এই ঘটনায় নিহত সকলের জন্য আমরা গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই।
আমরা মনে করি এটা পুরো জাতির জন্য এক সংকটের মুহূর্ত। এই ভয়াবহ ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে কারো অবহেলা বা দায়িত্বহীনতার ঘটনা পাওয়া গেলে তার তদন্ত করে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ধরনের হৃদয়বিদারক ঘটনাকে সর্বোচ্চ যত্নের সাথে সামাল দেওয়ার যে উদ্যোগ সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া দরকার ছিল, সেখানেও ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। এইচএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সরকারের সমন্বয়হীনতা এবং পরবর্তীকালে শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ আমরা দেখেছি। একইসাথে আমরা দেখছি মিরপুরে যৌথ বাহিনীর উপস্থিতিতে একজনকে পেটানোর সিসিটিভি ফুটেজ। এই সমস্ত ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন সরকারকে অবশ্যই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করতে ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। ঘটনার শিকার শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ আমলে নিয়ে যথার্থ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা যাতে কেউ করতে না পারে সেজন্য জনগণকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।
একটি জরুরি মুহূর্তে সর্বশক্তি নিয়োগ করে আহত ও নিহত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাই। আমরা মনে করি, অনতিবিলম্বে সকল রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনের সাথে জরুরি আলোচনায় বসে সংকটকালীন মুহূর্ত মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। আমরা দেশের মানুষের প্রতি আহবান জানাই, এই সংকটের মুহূর্তে ঐক্যবদ্ধ থাকুন, সংকট মোকাবিলায় আমাদের ঐক্যবদ্ধতাই সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে পারবে।
