ম্যানচেস্টার টেস্টে রবীন্দ্র জাদেজা আর ওয়াশিংটন সুন্দরের সেঞ্চুরির জন্য ড্র মেনে নিতে দেরি করায় ভারতের ওপর চটেছে ইংল্যান্ড। তারা নানাভাবে শুবমানদের ক্রিকেটিয় মানসিকতার সমালোচনা করছে, যদিও ভারতীয় দল নিয়মের বাইরে কিছুই করেনি। এ কারণে বেশিরভাগ সমর্থন ভারতই পাচ্ছে, আর সুযোগটা নিচ্ছে ইংল্যান্ড।
ক্রিকেট নিয়ে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার শত্রুতা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। দুই দল একে অন্যের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। অ্যাশেজের আগে দুই দলের কথার লড়াই তাই উপভোগ্য হয়ে ওঠে। ম্যানচেস্টারে ভারতের বিপক্ষে ইংল্যান্ড জিততে না পারায় চলছে সমালোচনা। এর মাঝে বেন স্টোকসরা আবার ড্র ইস্যুতে বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন। এই সুযোগ অস্ট্রেলিয়ান মিডিয়া কি ছেড়ে দেয়? তাই চলছে ইংলিশদের নিয়ে মজা-মশকরা।
‘ব্রিসবেন টাইমস’ বেন স্টোকসদের ‘ছিঁচকাঁদুনে’ হিসেবে উল্লেখ করে তার মাথা গরম স্বভাবের সমালোচনা করেছে। ‘ফক্স ক্রিকেট’ লিখেছে, ‘ইংল্যান্ডের এই আচরণে বাজবলের দ্বিচারিতা প্রকাশিত হলো। ইংল্যান্ড সব সময় ক্রিকেটীয় আইনের কথা বলে। কিন্তু কেউ যখন সেই আইন মেনে তাদের অসুবিধা সৃষ্টি করে, তখন বলা হয় ক্রিকেটীয় স্পিরিটের কথা! তাদের মাথায় একটু বুদ্ধি দাও। ন্যয্যভাবে খেল হে বৃদ্ধ বালক।’
‘হেরাল্ড সান’ জাদেজা এবং সুন্দরের সাথে বেন স্টোকদের আচরণের সমালোচনা করেছে। ‘কোড স্পোর্টস’ আবার এক কাঠি সরেস। তারা লিখেছে, ‘অ্যাশেজের আগে পরিচয় সংকটে ইংল্যান্ডের ক্রিকেট’। তারা শিরোনাম করেছে, ‘নৈতিক ভণ্ডরা আবার সেঞ্চুরি করাকে ক্রিকেটের চেতনা বিরোধী মনে করে।’ প্রতিবেদনে বেন স্টোকসের সাথে হাত না মেলানোয় জাদেজা এবং সুন্দরের প্রশংসা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ম্যাঞ্চেস্টারে শেষ দিন ১৫ ওভার খেলা বাকি থাকতে ড্রয়ের প্রস্তাব দেন স্টোকস। তখন জাজেজা ৮৭ ও সুন্দর ৮০ রানে ব্যাট করছেন। তারা প্রস্তাব গ্রহণ না করে খেলা চালিয়ে যান। দুজনেই সেঞ্চুরি করার পর ড্র মেনে নেন। এটা নিয়ে এখন ক্রিকেট বিশ্ব দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। বেশিরভাগ ক্রিকেটবোদ্ধাই বলছেন, যেখানে ম্যাচের ফলাফল হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই, সেখানে সেঞ্চুরি করে জাদেজা এবং সুন্দর কোনো অপরাধ করেনি।
৬ বছর আগেই অধিনায়কত্ব যাওয়ার কথা ছিল কোহলির
ভারত ভদ্রতার ধার ধারেনি; ‘ফাঁকতালে সেঞ্চুরি করেছে’ জাদেজা-সুন্দর
অ্যান্ডারসনের স্ত্রীর দুই চোখের বিষ স্টোকস-ম্যাককালাম!
দাবায় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলেন ১৯ বছরের দিব্যা