পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের কারণে ভেঙে গেছে পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাট। এতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। গত বুধবার রাত ২টা থেকে ঘাটটি বন্ধ থাকায় সচল তিনটি ফেরিঘাটের মধ্যে ৩ ও ৪ নম্বর ঘাট দিয়ে সীমিত আকারে ফেরি পারাপার চলছে।
তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি পারাপারে সময় দ্বিগুণ লাগছে। আগে যেখানে চার কিলোমিটার পথ পার হতে ২৫-৩০ মিনিট লাগত এখন লাগছে এক ঘণ্টারও বেশি। ঘাটে ফেরি ভেড়ানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ৪ নম্বর ঘাটের পাশের নদীর পাড়ে ভাঙন দেখা দিলে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ ঘাটটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। পরে জিও ব্যাগ ফেলে দুই ঘণ্টা পর ঘাটটি পুনরায় চালু করা হয়। বর্তমানে ৩ ও ৪ নম্বর ঘাট দিয়ে সব যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।
৫ নম্বর ঘাটটি পুরোপুরি বন্ধ থাকায় এবং নদীতে স্রোতের কারণে পারাপারে সময় বেশি লাগায় উভয় পাড়ে যানবাহনের চাপ বেড়েছে।
শুক্রবার সকালে ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে দেড় শতাধিক যানবাহন। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ছোট-বড় মিলে ১০ ফেরি চলাচল করছে। স্রোত এবং ৫ নম্বর ফেরিঘাটটি বন্ধ থাকার কারণে পাঁচটি ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। বাকি ১০টি ফেরি দিয়ে পারাপার অব্যাহত থাকলেও উভয় ঘাটেই যানবাহনের চাপ বাড়ছে।
কুষ্টিয়াগামী ট্রাকের চালক লুৎফর রহমান বলেন, সকালে ঘাটে এলেও পণ্যবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাস দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করছে। স্রোত আর ঘাটের অবস্থা ভালো না হওয়ায় এই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম আবদুস সালাম দেশ রূপান্তরকে জানান, ভাঙনের কারণে বুধবার রাত ২টা থেকে ৫ নম্বর ফেরিঘাট বন্ধ রয়েছে। নদীর তীব্র স্রোতের কারণে ঘাট নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন। বর্তমানে শুধু ৩ ও ৪ নম্বর ঘাট দিয়ে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল করছে। তবে ৪ নম্বর ঘাটতি ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।
