চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২৪-২৫ সেশনের নবীন শিক্ষার্থীদেরকে বরণ করে নিতে নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। এতে অংশ নিয়েছে প্রায় আড়াই হাজার নবীন শিক্ষার্থী।
শনিবার (১৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সংলগ্ন বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে কি-নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। প্রধান আলোচক ছিলেন ইরামনাস ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্টস ইউরোপীয় কমিশনের আঞ্চলিক পরিচালক ও ইরাসমাস মন্ডুস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ড. আশিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এনায়েত উল্ল্যা পাটওয়ারী এবং শিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি মুহাম্মদ ইব্রাহিম হোসেন রনি।
কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, আমাদের দেশের স্বাধীনতার সময়ে যেসব দেশ স্বাধীন হয়েছিল, তারা এগিয়ে গেছে। আমাদের পিছিয়ে থাকার অন্যতম কারণ দুর্নীতি। আমাদের পদ্মা সেতু নির্মাণে যে টাকার প্রয়োজন, তার চেয়ে দ্বিগুণ টাকা দুর্নীতি করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। বিগত সরকার দিল্লির পারপাস সার্ভ করেছে।
ইঞ্জিনিয়ার ড. আশিকুর রহমান বলেন, আগে যা স্বপ্ন দেখেছেন মাথায় রাখেন সব শেষ। এখন যেখানে ভর্তি হয়েছেন সেটিই হচ্ছে আপনার স্বপ্ন। এটাকে কিভাবে সফল করা যায় সেই চিন্তাভাবনা শুরু করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় হলো মুক্তমঞ্চের জায়গা। এখান থেকে চাইলে উন্নতির দিকে, আবার চাইলে ধ্বংসের দিকে যাওয়া যাবে। এখান থেকে জ্ঞান, প্রযুক্তি আর দক্ষতায় বলিয়ান হয়ে সবাইকে বিশ্বময় ছড়িয়ে যেতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী বলেন, তোমাদের একাধিক দায়িত্ব রয়েছে। তা হলো নিজের স্বপ্ন, বাবা মায়ের স্বপ্ন এবং তোমাদেরকে নিয়ে শিক্ষকরা যে স্বপ্ন দেখেন তা বাস্তবায়ন করা। আমাদের স্বপ্ন হচ্ছে আমাদের শিক্ষার্থীরা আগামীর একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠন করার জন্য এখানে নিজেদের প্রস্তুত করবে।
নবীন এক নারী শিক্ষার্থী নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, গতকাল থেকে চিন্তায় ছিলাম যে আসব কি আসব না। আজকে সারাটা দিন প্রোগ্রামে সময় দিয়ে শেষ অব্দি মনে হচ্ছে আমার আসাটা আসলেই স্বার্থক। এখানে না আসলে অনেককিছুই মিস করতাম। এখানে আন্তর্জাতিক স্কলাররা এসেছেন, আমাদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন এগুলো হয়তো না এলে আমি জানতে পারতাম না। ভাইয়াদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
নবীন বরণে অংশগ্রহণ করা আরেক নারী শিক্ষার্থী বলেন, তাদের সবকিছু অনেক ভালো ছিল, সবকিছু সুন্দরভাবে মেইনটেইন করেছে। ভার্সিটিতে আসার পরে এরকম প্রোগ্রামে আসা হয়নি আর এরকমভাবে আমাদেরকে কেউ এখন পর্যন্ত বরণ করেনি। সেজন্য তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
যে পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে, তা দিয়ে চারটি বাজেট করা যাবে
বন্যাকবলিত পাকিস্তানকে ত্রাণ সহায়তার প্রস্তাব ইরানের