'বাবর আজমকে অবশ্যই কিছু কিছু জায়গায় উন্নতি করতে বলা হয়েছে, বিশেষ করে স্পিনের বিরুদ্ধে এবং স্ট্রাইক-রেট নিয়ে। আমি জানি সে এই মুহূর্তে এই বিষয়গুলো নিয়ে খুব কঠোর পরিশ্রম করছে।'
এশিয়া কাপের দলে বাবর আজমকে না রাখার কারণ জানিয়েছেন পাকিস্তানের নতুন কোচ মাইক হেসন। ১২৮ ম্যাচ খেলা টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় সর্বাধিক ৪২২৩ রান, তিনটি সেঞ্চুরি আর ৩৬টি হাফসেঞ্চুরি করা বাবর আজমকে এই কথা শুনতে হয়েছে। অবশ্য এই ফরম্যাটে চার হাজার রানা করা বাকি দুজন- রোহিত শর্মা (১৪০.৮৯) ও বিরাট কোহলি (১৩৭.০৪) এর তুলনায় বাবরের স্ট্রাইক রেট বেশ কমই, ১২৯.২২।
গত এক দশকে পাকিস্তানের অন্যতম সেরা ব্যাটার বাবর আজম। বিরাট কোহলিও একসময় তাকে সব ফরম্যাটের সেরা ব্যাটার হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তবে আগস্ট ২০২৩–এর পর থেকে তার ক্যারিয়ারে নামতে শুরু করেছে অন্ধকার। দুই বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোনো সেঞ্চুরি নেই, গড় নেমে গেছে সব ফরম্যাটেই।
২০২৩ সালের এশিয়া কাপে নেপালের বিপক্ষে বাবরের সর্বশেষ সেঞ্চুরি আসে। তখন তিনি ছিলেন পাকিস্তানের অধিনায়কও। বিশ্বকাপ ২০২৩–এ দলকে নেতৃত্ব দেন, কিন্তু এরপরই নেতৃত্ব হারান।
টি২০ বিশ্বকাপ ২০২৪–এর আগে তার জায়গায় অধিনায়ক হন শাহীন আফ্রিদি। তবে মাত্র একটি সিরিজের পর শাহীনকে সরিয়ে আবার দায়িত্ব দেওয়া হয় বাবরকে। কিন্তু বিশ্বকাপে গ্রুপপর্ব থেকে বিদায়ের পর তাকেও সরানো হয়। এরপর আগা সালমান হন নতুন টি২০ অধিনায়ক।
২০২৪ সালে পাকিস্তান আশার আলো দেখেছিল গ্যারি কার্স্টেন (টেস্ট) ও জেসন গিলেসপি (সাদা বল)–কে কোচ করে। কিন্তু শিগগিরই দু’জনই পদত্যাগ করেন নির্বাচনী জটিলতার কারণে। এরপর অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হন আকিব জাভেদ। কয়েকটি ব্যর্থ সিরিজের পর তাকেও সরিয়ে এনে দায়িত্ব দেওয়া হয় নিউজিল্যান্ডের মাইক হেসনকে।
মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে বাবরের ক্যারিয়ার ও পাকিস্তান ক্রিকেট দুইই পড়ে গেছে চরম অনিশ্চয়তার মুখে। একসময় যিনি ছিলেন দলের সবচেয়ে বড় ভরসা, সেই বাবর এখন লড়ছেন জায়গা ধরে রাখার জন্য। আর পাকিস্তান ক্রিকেট খুঁজছে নতুন করে দিশা।
'বেবি এবি' উপাধি ব্রেভিসের চাপ বাড়িয়েছে : ম্যাক্সওয়েল
গুরুর সঙ্গে শিষ্যের লড়াইয়ে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অস্বস্তি 