যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিকান দলের হয়ে কংগ্রেসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ভ্যালেন্টিনা গোমেজ কোরআনে আগুন দেওয়ার পর দেশজুড়ে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
কলম্বিয়ায় জন্ম নেওয়া এই কট্টর ডানপন্থি প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারের শুরুতেই প্রকাশ্যে কোরআন পোড়ান এবং সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে ভিডিওটি সরিয়ে ফেলা হলেও এক্সে (সাবেক টুইটার) তা রয়ে গেছে, যার কারণে গোমেজের পাশাপাশি প্ল্যাটফর্মটির মালিক ইলন মাস্কও সমালোচনার শিকার হয়েছেন।
ভিডিও বার্তায় গোমেজ ইসলাম ধর্মকে টেক্সাস থেকে নির্মূল করার শপথ নেন এবং আমেরিকাকে খ্রিস্টান রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করার দাবি তোলেন। এ সময় তিনি মুসলমানদের সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের কথাও বলেন।
ঘটনাটি নিয়ে মার্কিন রাজনীতিতেই ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রিপাবলিকান দলের প্রভাবশালী নেতা রিচার্ড গ্রেনেল বলেন, “কোরআন পোড়ানো কেবল মুসলমানদের আঘাত করে না, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের মৌলিক অধিকারগুলোকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।”
সমালোচকরা বলছেন, গোমেজ পূর্বেও মুসলিম, কৃষ্ণাঙ্গ ও অভিবাসীদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। এবার কোরআন পোড়ানোর মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করলেন রাজনৈতিক প্রচারণায় ধর্মকে উসকানি হিসেবে ব্যবহার করতেই তিনি আগ্রহী।
ডাকসু নির্বাচনে মোবাইল জার্নালিজম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ উমামা ফাতেমার
শিক্ষার্থীকে ‘শিবির ট্যাগ’ দেওয়া উচিত হয়নি: ছাত্রদল নেতা মায়েদ