রিফাইন্ড আওয়ামী লীগের আইডিয়া ভারতের দেয়া আইডিয়া। এই আইডিয়া এই বাংলাদেশে বাস্তবায়ন হবে না অভ্যূত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে। এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পঞ্চগড় জেলা শহরের শেরে বাংলা পার্ক এলাকায় পঞ্চগড় জেলা কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে এ মন্তব্য করেন।
সারজিস বলেন, “আমরা স্পষ্ট করে একটা কথা বলি, এই বাংলাদেশে যারা ২০০৯ এ বিডিআর হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। শাপলায় আমাদের নিরীহ আলেম ভাইদের উপরে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এই ২৪ এর অভ্যূত্থানে হাজারের অধিক ছাত্রজনতাকে খুন করেছে। সেই খুনিরা কখনো বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না।”
আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি চোরে চোরে মাসতুতো ভাই বলে মন্তব্য করে সারজিস আলম বলেন, “এক চোর দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। যেই চোর এতোদিন তাদের ছায়াতলে ছিলো সেই চোর এখন তাদের ব্যানারে তাদের আশ্রয় দেয়ার কথা বলছে। চুরি বাটপারি ছাড়া আওয়ামী লীগের কেউ নেতা হয় নি।”
তিনি বলেন, “যেভাবে আওয়ামী লীগের সকল দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে সেভাবেই তাদের বড় দোসর জাতীয় পার্টিরও সকল কর্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। আওয়ামী লীগ ও তাদের বি টিম জাতীয় পার্টিকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে চিরতরে নিষিদ্ধ করতে হবে। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলতে চাই আপনাদের ফ্যাসিস্টদের প্রতি নমনীয় আচরণ আপনাদের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের আস্থার সংকট তৈরি করছে। আপনাদের কাজ হলো খুনিদের বিচারের মঞ্চে নিয়ে যাওয়া।”
তিনি আরও বলেন, “পঞ্চগড়ে ছাত্রদল স্কুলগুলো কমিটি দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংসের পায়তারা করছে। তারা স্কুলের শিক্ষার্থীদের রাজনীতির মধ্যে ঢুকিয়ে অপরাজনীতির চক্রে ঢুকাবে। সেখানে মাদকের ব্যবসা শুরু করবে, চাঁদাবাজি করবে।”
এসময় জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, “যারা জাতীয় পার্টিকে ধরে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার চেষ্টা করছে, তারা বাংলাদেশে নির্বাচন চায় না। তারা দেশে গৃহযুদ্ধ বাঁধাতে চায়। যারা এই পরিকল্পনার সাথে জড়িত তারা নির্বাচন বানচাল করতে চায় এবং বাংলাদেশকে দীর্ঘস্থায়ী সংকটের মধ্যে ঠেলে দিতে চাচ্ছে।”
মতবিনিময় সভায় পঞ্চগড় জেলা কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা সহ পঞ্চগড় জেলার এনসিপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন
