সাতক্ষীরার উন্নয়নের নামে বিভ্রান্তিকর সংবাদে ফোরামের তীব্র নিন্দা

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৫:১৮ পিএম

সাতক্ষীরার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে অবমূল্যায়ন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে সাতক্ষীরা উন্নয়ন সমন্বয় ফোরাম। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) ফোরামের সভাপতি ইকবাল মাসুদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সতর্কভাবে এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রচারিত ‘উন্নয়ন বরাদ্দে বৈষম্য থামছে না: স্থানীয় সরকার ও যুব-ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টার পিএসের বরাদ্দ সিন্ডিকেট সাতক্ষীরায় ৩৯ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ’ শিরোনামের সংবাদটি সম্পূর্ণ অসত্য। সাতক্ষীরা জেলা প্রকৃতপক্ষে বৈষম্যে জর্জরিত, এবং জেলার উন্নয়ন দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাতক্ষীরা দেশের অন্যতম অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জেলা হলেও গত ১৫ বছর ধরে এখানে কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি। জেলার রাস্তা-ঘাট ক্ষতিগ্রস্ত, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলো জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। কৃষি, মৎস্যচাষ, কৃষি রপ্তানি ও বাণিজ্যের কারণে জাতীয় অর্থনীতিতে জেলার অবদান স্বতঃসিদ্ধ হলেও সাতক্ষীরা এখনও বৈষম্যের শিকার।

উন্নয়নের জন্য নেওয়া প্রয়োজনীয় উদ্যোগ হিসেবে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে নদীর বাঁধ ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, ভোমরা স্থলবন্দরের উন্নয়ন, সুন্দরবন টেক্সটাইল মিলস পুনঃপ্রতিষ্ঠা, আধুনিক স্টেডিয়াম ও সুইমিংপুল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ, মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র, হ্যাচারি ও আধুনিক ফ্রিজিং প্ল্যান্টসহ অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন। এছাড়া পর্যটন ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে সাতক্ষীরাসহ দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, বর্তমান সরকারের উদ্যোগকে পিছিয়ে দিতে এবং সাতক্ষীরার অবহেলিত মানুষের স্বার্থহীন অবস্থাকে অব্যাহত রাখতে একটি চক্রান্তকারী গোষ্ঠী বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচার করেছে। সাতক্ষীরা জেলাবাসীর পক্ষে এই মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদকে ফোরাম তীব্রভাবে নিন্দা জানিয়েছে। পাশাপাশি সকলস্তরের জনগণ ও সংশ্লিষ্টদের কাছে এই ধরনের অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে এবং সাতক্ষীরার সমন্বিত উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত