নেপালে চলমান বিক্ষোভের কারণে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির পদত্যাগের পর দেশটিতে ভয়াবহ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (০৯ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় দিনের মতো হাজার হাজার বিক্ষোভকারী কারফিউ উপেক্ষা করে রাস্তায় নেমে আসেন। তারা প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী বাসভবনসহ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছেন।
এই পরিস্থিতিতে নেপালের প্রতিবেশী দেশ ভারত জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, পদত্যাগ করা প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি ভারতে পালিয়ে যেতে পারেন। তবে তার পদত্যাগের পর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ধরনের বিমানের উড্ডয়ন এবং অবতরণ স্থগিত রাখা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যেই কেবল দুটি বিমান থাইল্যান্ড এবং চীনের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে। তবে এই ফ্লাইটগুলোতে কেপি শর্মা অলি ছিলেন কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নেপালের সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারত উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। এ বিষয়ে বলা হয়েছে, নেপালে বিক্ষোভে প্রাণহানির ঘটনায় নয়াদিল্লি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং চলমান পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও প্রতিবেশী হিসেবে আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ সংযম প্রদর্শন করবেন এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করবেন।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘কাঠমান্ডু এবং নেপালের কয়েকটি শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। নেপালে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের সতর্ক থাকতে হবে এবং নেপালি কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।’
নেপালে চলমান অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পানিটাঙ্কিতে সীমান্ত এলাকায় উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশ জানিয়েছেন, পুলিশ তল্লাশি চৌকি স্থাপন করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সীমান্ত পারাপার ও পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
ভিসির সঙ্গে ছাত্রদলের মুখোমুখি অবস্থান
'আমার খুব ঘুম পাচ্ছে, উত্তরটা কাল দেই নাকি', সংবাদ সম্মেলেন লঙ্কান অধিনায়ক