জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) নির্বাচন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তারের পদত্যাগের ঘটনাকে প্রহসন বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামি ছাত্রশিবির সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট প্যানেল ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ সমর্থিত শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম প্যানেলের প্রার্থীরা।
আজ রাত নয়টার দিকে জাকসুর নির্বাচন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন শিবির সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা।
রাত দশটার দিকে করা সংবাদ সম্মেলনে প্যানেলের যূগ্ম-সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ফেরদৌস আল হাসান বলেন, জাকসু নির্বাচন কে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য জাকসুর একজন নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ করেছেন, যা খুবই প্রহসনমূলক আচরণ। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম জাবি শাখার বর্তমান সভাপতি। এই পদে থেকে সে কিভাবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করার কমিটিতে থাকে এই প্রশ্ন আমরা করতে চাই। তিনি যে অভিযোগগুলো করেছেন তা ভিত্তিহীন। ১১ সেপ্টেম্বর আমরা খুব সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটদান করেছি। প্রশাসনিক ব্যবস্থায় কিছু ত্রুটি ছিল। তারপরেও শিক্ষার্থীরা ভোটকেন্দ্রে এসেছে এবং প্রায় ৬৮ শতাংশ ভোট কাস্ট করে বলে দিয়েছে, তারা জাকসু চায় এবং তাদের অধিকার বাস্তবায়ন করতে চায়। যে নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের ৬৮ শতাংশ ভোট কাস্ট হয় সেই নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা টিকবে না।
রাত সাড়ে ১০টার দিকে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন বাগছাস সমর্থিত শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম প্যানেলের প্রার্থীরা।
এসময় প্যানেলের সমাজসেবাও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক প্রার্থী আহসান লাবিব বলেন, এই মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন থেকে পদত্যাগ করা প্রহসন ছাড়া আর কিছু না। আজকে শেষ মুহুর্তে এসে পদত্যাগ করাটা আমাদেরকে বিভিন্ন প্রশ্নের আভাস দেয়। তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেয়েছিলেন নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত করতে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের বাকি সদস্যরা তা না মেনে নেওয়ায়ই তিনি নির্বাচন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেছেন। আমরা একসময় তাকে গণতান্ত্রিক শিক্ষক হিসেবে জানতাম। কিন্তু তিনি আজকে পরিচয় করিয়ে দিলেন তিনি গণতন্ত্র বিরোধী এবং জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম গণতন্ত্র বিরোধী।
