জেমকন গ্রুপের পরিচালক কাজী আনিস আহমেদ ও কাজী ইনাম আহমেদের বিরুদ্ধে ১১৩ কোটি ১ লাখ ৮৭ হাজার টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং তাদের ৩৪টি ব্যাংক হিসাবে ১৫৩ কোটি ৯৩ লাখ ২৬ হাজার টাকার বেশি সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। যেকোনো সময় মামলা দুটি করা হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন। গতকাল সোমবার বিকেলে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।
দুদক মহাপরিচালক বলেন, দুদকের অনুসন্ধানে জেমকন গ্রুপের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আনিস আহমেদের ১০৪ কোটি ২০ লাখ ৫৬ হাজার ৭৬৮ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২৩ কোটি ৮৪ লাখ ৮৫ হাজার ৮৭৩ টাকার সম্পদ অর্জনের গ্রহণযোগ্য উৎস পাওয়া যায়। আর অবশিষ্ট ৮০ কোটি ৩৫ লাখ ৭০ হাজার ৮৯৫ টাকার সম্পদ অর্জনের গ্রহণযোগ্য কোনো উৎস পাওয়া যায়নি।
এ পরিমাণ সম্পদ অবৈধ উপায়ে অর্জন করে তিনি নিজ ভোগ দখলে রাখায় এবং তার ২০টি ব্যাংক হিসাবে ৭৯ কোটি ১৪ লাখ ৪৭ হাজার ৯৫৬ টাকা সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে একটি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
তিনি আরও বলেন, জেমকন গ্রুপের অন্য পরিচালক কাজী ইনাম আহমেদের বিরুদ্ধে ৩২ কোটি ৬৬ লাখ ১৬ হাজার ২৪৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং তার ১৪টি ব্যাংক হিসাবে ৭৪ কোটি ৭৮ লাখ ৭৮ হাজার ১২৭ টাকা সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে আরও একটি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। যে কোনো সময় মামলা দুটি করা হবে।
