একসঙ্গে গাজা অভিমুখে ফ্রিডম ফ্লোটিলার নৌযান

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২৫, ০৭:৩১ এএম

ফ্রিডম ফ্লোটিলার নৌযানগুলো সব একসঙ্গে গাজা অভিমুখে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। গতকাল শনিবার দুপুরে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, কনশানস নৌযানের গতি বেশি থাকায় গাজার পথে সামনে থাকা বহরের অন্য আটটি নৌযানকেও ছুঁয়ে ফেলেছে। এখন কনশানসের গতি কমিয়ে ফেলা হয়েছে এবং সব নৌযান একসঙ্গে গাজা অভিমুখে এগিয়ে যাচ্ছ। কনশানস নৌযান থেকে দেওয়া পোস্টে শহিদুল আলম লিখেছেন, থাউজেন্ড ম্যাডলিনস একটি অবিস্মরণীয় ধারণা। জাতিগত নিধন ঠেকাতে বিশ্বনেতাদের পুরোপুরি নিষ্ক্রিয়তা এবং কপট ভূমিকার কারণে বিশ্বের জনগণ নিজেরাই পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হাজারো জাহাজের ধারণাটি প্রতীকী। তবে নিঃসন্দেহে এভাবে একত্র হওয়া সমুদ্রযানের সবচেয়ে বড় বহর এটি।

কনশানস হলো আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি) এবং থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা (টিএমটিজি) নৌবহরের একটি জাহাজ। এফএফসি হলো ইসরায়েলের অবরোধ ভাঙতে ও গাজায় ত্রাণ পৌঁছাতে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার’ যৌথ আয়োজক জোটগুলোর একটি। তবে তাদের বহরে কোনো খাদ্য সহায়তা নেই। শহিদুল আলম বলেন, কনশানস নৌযানটি ওই বহরের সবচেয়ে বড় জাহাজ। এটি সবার শেষে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ইতালি থেকে রওনা করেছিল। গাজার অবরোধ ভেঙে দেওয়ার দৃঢ়সংকল্প ব্যক্ত করে শহিদুল আলম লিখেছেন, আমরা কনশানসের মানুষেরা অবরোধ ভাঙতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তারা যদি আমাদের আটকায়, তখন অন্যরা এগিয়ে আসবে। দমন-পীড়নকারী কখনোই জনগণের শক্তির বিরুদ্ধে টিকতে পারেনি। ইসরায়েলও ব্যর্থ হবে। মুক্ত হবে ফিলিস্তিন।

কনশানস নামের জাহাজটিতে ২৫টি দেশের সাংবাদিক ও স্বাস্থ্যকর্মী আছেন। ইসরায়েলের অবৈধ অবরোধ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গাজা অভিমুখে রওনা হয়েছে আন্তর্জাতিক সাংবাদিক ও চিকিৎসকবাহী এই জাহাজ। গত দুই বছর ধরে চলা এ যুদ্ধে ইসরায়েল বিদেশি সাংবাদিকদের গাজায় প্রবেশে বাধা দিয়ে আসছে। এ সময় নিয়মিতভাবেই সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করে আসছে ইসরায়েলি বাহিনী। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় এখন পর্যন্ত ২৭০ জনের বেশি সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, অনেকে আটক ও কারাগারে বন্দি আছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত