লন্ডন থেকে কাল সকালে ঢাকায় পা রাখবেন জাতীয় দলের কোচ হাভিয়ের কাবরেরার প্রাণভ্রমরা হামজা চৌধুরী। যার কাছে কোচের অনেক অনেক চাওয়া। সহজাত হোল্ডিং মিডফিল্ডার হিসেবে তিনি রক্ষণ সামলাবেন। আবার ওপরে উঠে তাকে আক্রমণেও সহায়তা করতে হবে। ঢাকা আসার আগের দিন বিকেলে হামজাকে ঘিড়ে প্রত্যাশার ডালি সাজিয়ে বসেছিলেন কাবরেরা। কোচের প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পারবেন ইংলিশ তারকা, সেটা ৯ অক্টোবর হংকং, চায়নার বিপক্ষেই বোঝা যাবে।
জাতীয় স্টেডিয়ামে ১০ জুন শেষবার লাল-সবুজ জার্সিতে দেখা গিয়েছিল হামজাকে। সেদিন বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরকে হারাতে পারেনি। এশিয়ান কাপের মূল পর্বে যাওয়ার জন্য ৯ অক্টোবর হংকং, চায়নাকে ঘরের মাঠে হারানো অপরিহার্য। কোচ কাবরেরা বলেন, "আমরা সবার কাছেই সেরা পারফরম্যান্স আশা করি। হামজা ও শমিতের কাছেও মূল প্রত্যাশা একই।" হামজা ঢাকায় এসে তিনটি অনুশীলন সেশন দলের সঙ্গে করবে, শমিত ম্যাচের আগে মাত্র একটি সেশন করতে পারবেন।
বাংলাদেশের হয়ে হামজা তিনটি ম্যাচে একটি গোল করেছেন, যা ভুটানের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে এসেছে। সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে একটি সুযোগ হাতছাড়া হলেও কোচ তাকে স্বাধীনভাবে খেলতে দিতে চান। পরিস্থিতিই হামজাকে তার দায়িত্বটা বুঝিয়ে দেবে, 'এখন পর্যন্ত নিজের পজিশনে হামজা দারুণ খেলেছে। গত ম্যাচে কিছু সময় সে উপরে উঠে খেলেছে। যেটা নিয়ে আগেও ওর সঙ্গে কথা হয়েছিল। ডিফেন্সে ভারসাম্য বজায় রাখার পাশাপাশি আক্রমণেও তার অবদান চাই আমরা। যেন সে সেকেন্ড লাইন থেকে উঠে এসে সুযোগ তৈরি করতে পারে। সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তেও ভালো কিছু সুযোগ ছিল তার সামনে। ডিফেন্সিভ ও অফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে এই মিশ্র ভূমিকায় স্বচ্ছন্দ্যে খেলতে পরেছে বলে আমার মনে হয়।'
প্রস্তুতির দ্বিতীয় পর্যায়ে থাকা দলের কিছু খেলোয়াড় চোটের কারণে প্রাথমিক স্কোয়াড বড় করা হয়েছে। স্ট্রাইকার সুমন রেজা ও ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ ইব্রাহিম ক্যাম্প থেকে ছিটকে গেছেন, তবে তপু বর্মণ, তারিক কাজী ও আল-আমীনকে নিয়ে আশাবাদী কাবরেরা।
হংকং দুই ম্যাচ থেকে চার পয়েন্ট নিয়ে মূল পর্বে যাওয়ার লড়াইয়ে শক্ত অবস্থানে আছে। কাবরেরা বলেন, "শারীরিকভাবে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। আমাদের সঠিক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামতে হবে। একতাবদ্ধ হলে আমরা লক্ষ্য অর্জন করতে পারব।"
দলের আক্রমণভাগের অন্যতম অস্ত্র রাকিব হোসেনও বিশ্বাস করেন, সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ভুলগুলো শুধরে বাংলাদেশ হংকংকে হারাতে পারবে। তিনি বলেন, "এবার গোলের জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। হামজা ও শামিত আসার কারণে বলের প্রাপ্যতা বেড়েছে, যা আমাদের পরিকল্পনায় সহায়ক হবে।"
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে মশার উৎপাত, খেলা থামিয়ে স্প্রে করল খেলোয়াড়রা
'আইডিয়াল ভোট হচ্ছে কি?' বুলবুল বললেন, 'নির্বাচন কমিশন জানে' 