আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার উদ্দোগ্যে কোতায়ালী থানার বাবুবাজারে এক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। নতুন বাংলাদেশ ২.০ বিনির্মাণের অগ্রযাত্রায় এবি পার্টির ভূমিকা ও অঙ্গীকার শীর্ষক উক্ত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
এসময় তিনি বলেন, ভিন্ন মত, পথের কারণে যারা বিরোধী দলের নিরীহ মানুষকে হত্যা ও গুম করেছে, দাড়ি টুপির জন্য জঙ্গি বানিয়ে ক্রসফায়ার করেছে তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি অবশ্যই হতে হবে। গণতন্ত্র ও মানুষ হত্যা করে যদি প্রধান বিচারপ্রতি, সচিব, মন্ত্রী-এমপিরা জেলে থাকতে পারে তাহলে জনগণের কর্মচারীরা কেন স্পেশাল এসির কারাগারে থাকবে?
এসময় তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, ট্রাইব্যুনাল ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কে সকল খুন গুমের বিচারে ইনসাফ প্রতিষ্টা করতে হবে যেন ন্যায় বিচারে বৈষম্য না থাকে। একজন রিক্সা চালক অপরাধ করলে যেমন তার নিজের বাড়ি জেল খানা হয়ে যায় না তেমনি কোন সরকারি এসি ওয়ালা প্রতিষ্ঠানও জেলখানা হতে পারে না। যারা আটশর অধিক আয়নাঘর করেছে বাংলাদেশকে দিল্লীর হাতে তুলে দেবার জন্য তাদেরকে পালিয়ে যেতে যারা সাহায্য করবে তাদের কোন সেফ এক্সিট থাকবে না। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে অপরাধীদেরকে অবশ্যই কেরানীগঞ্জ ও কাশিমপুরের কারাগারে থাকতে হবে।
ঢাকার স্থানীয় সমস্যা সমাধানে তিনি স্থানীয় জনগণকে অনুরোধ করেন যেন, জিন্দাবাদ বা অমুক ভাইয়ের স্লোগান দেখে ভোট না দিতে।
জনসভায় কোতয়ালী থানার আহ্ববায়ক মো. নুর হোসেনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত টুটুল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমাদ, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার সদস্য সচিব মো. সেলিম রেজা, কোতয়ালী থানার সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ, কেন্দ্রীয় নারী উন্নয়ন বিষয়ক সহ-সম্পাদক আমেনা বেগম, রমনা থানার আহ্ববায়ক আব্দুল কাদের মুন্সীসহ আরো অনেকে।
