আসন্ন কুয়ালালামপুর সম্মেলনে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নিজে সভাপতিত্ব করতে চান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, এমনটাই জানিয়েছে কূটনৈতিক সূত্রগুলো। প্রস্তাবিত এই চুক্তিকে কূটনীতিকরা ইতিমধ্যেই ‘কুয়ালালামপুর অ্যাকর্ড’ নামে ডাকতে শুরু করেছেন।
হোয়াইট হাউস দাবি করছে, থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে জুলাই মাসের রক্তক্ষয়ী ৫ দিনের সংঘাতের অবসানে ট্রাম্পের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।এই সংঘাতে দুই দেশের অন্তত ৪৮ জন প্রাণ হারান। ওয়াশিংটনের ভাষায়, ট্রাম্পের হস্তক্ষেপেই সীমান্তে শান্তি ফিরেছে।
তবে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ রয়ে গেছে তাঁর উদ্দেশ্য নিয়ে। থাইল্যান্ডের সীমান্তবর্তী প্রদেশের কৃষক উইচিয়ান বলেন, ‘ট্রাম্প শান্তি আনতে নয়, স্বীকৃতি পেতে এসেছেন-নোবেল পুরস্কার চাই তাঁর। আমরা কম্বোডিয়ার সঙ্গে সমস্যা নিজেরাই মিটিয়ে নিতে পারব।’
এমন পরিস্থিতিতে এই বছরের আসিয়ান সম্মেলনের আয়োজক দেশ মালয়েশিয়া কঠিন এক ভারসাম্য রক্ষার চ্যালেঞ্জে পড়েছে। সম্মেলনের আলোচিত এই শান্তি-স্বাক্ষর অনুষ্ঠান একদিকে ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে বাড়াতে পারে, আবার অন্যদিকে বেইজিংয়ের অস্বস্তিও বাড়াতে পারে- যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভূরাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে এক সূক্ষ্ম পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একদিকে নোবেল পুরস্কারের আশায় তৎপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট, অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার চীন।
রাজধানীর পৃথকস্থানে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আহত ৪