হারের দায় নিজেই নিলেন সৌম্য

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২৫, ১১:০৮ পিএম

সুপার ওভারে ফ্রি হিট পেয়েও ছক্কা মারতে পারেননি সৌম্য সরকার। অনেকের মতে ম্যাচে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে যায় ওখানেই। শুরুতেই ওয়াইড এবং নো বলে বাড়তি রান আসার পরও ফ্রি হিটে ছক্কা মারতে না পারা, এমনকি মূল ম্যাচেও ফ্রি হিট কাজে লাগাতে না পারার ব্যর্থতার পেছনে নিজের দায়ই বেশি দেখেন সৌম্য।

ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে সৌম্য বলেছেন, 'দেখেন হ্যা এটা ঠিক আজকে তিনটা ফ্রি হিট আমি কাজে লাগাতে পারি নাই, অতীতেও অনেক ফ্রি হিট আমি কাজে লাগাতে পারি নাই। ওরকম কোন কিছু ছিল না, আমি সুপার ওভারে যে বলগুলা খেলেছি অলমোস্ট সবগুলোই ফ্রি হিট ছিল। আমার টার্গেট ছিল ছয় মারা বা বাউন্ডারি মারা। হ্যা আমি এটা পারি নাই, হয়তোবা এখানে আমার কোন ঘাটতি ছিল।'

দুই ম্যাচেই বাংলাদেশের রিশাদ হোসেন সবচেয়ে উঁচু স্ট্রাইক-রেটে ব্যাট  করেছেন। সুপার ওভারে তাকে ব্যাটিংয়ে না পাঠানোর সিদ্ধান্তটা বিষ্ময়কর। সুপার ওভারে ব্যাট করেন সৌম্য, নাজমুল হোসেন শান্ত ও সাইফ হাসান। এই বাছাইটা করেছেন কোচ এবং অধিনায়ক, জানালেন সৌম্য, ' আমরা কিন্তু জানতাম না আকিল হোসেন সুপার ওভারটা করবেন। এটা নিয়ে তো আমরা সবাই চিন্তা করি নাই, আমাদের কোচ ও অধিনায়ক চিন্তা করেছেন। আমরা যদি দুইজন বামহাতি ব্যাটসম্যান নেমে যেতাম আর ওরা যদি অফস্পিনারকে বোলিং দিত তাহলে আমাদের সমস্যা হতে পারত। ওরাও কিন্তু ডানহাতি বামহাতি সমন্বয় করে খেলেছে।' সৌম্য এটাও জানালেন যে সুপার ওভারের ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে তাদের কাছে কোন পরামর্শ চাননি কোচ, 'এটা তো আমার বিষয় ছিলই না, আমিএই নিয়ে চিন্তাও করি নাই। আমি আমার দিকে ফোকাস করেছিলাম। যদি আমার কাছে প্রশ্নটা আসতো, তাহলে আমার একটা উত্তর থাকত। এটাতে আপনি যত বেশি মানুষকে যুক্ত করবেন, তত বেশি প্রশ্ন মাথার মধ্যে ঢুকবে। তাই ম্যানেজমেন্ট আর অধিনায়ক যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটাই আমার কাছে মনে হয় সেরা সিদ্ধান্ত।'

ওদিকে রাতারাতি উড়ে এসে জয়ের নায়ক আকিল হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, '(প্রথম ম্যাচে) উইকেটের এই রঙ দেখে আমি মনে করেছিলাম আমার টিভি নষ্ট হয়ে গেছে, আমি টিভি বন্ধ করে দিয়েছিলাম।' সেই কালো উইকেটেই বল ঘুরিয়ে সুপার ওভারে নায়ক হয়ে গেলেন আকিল।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত