১০ লক্ষাধিক করদাতা অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২৫, ১০:০৭ এএম

চলতি ২০২৫-২৬ করবছরে এখন পর্যন্ত ১০ লক্ষেরও বেশি ব্যক্তি করদাতা অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন, যা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ডিজিটাল উদ্যোগের সাফল্যকে তুলে ধরছে।

গত ৪ আগস্ট অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ করবছরের ই-রিটার্ন দাখিল কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন। করদাতারা www.etaxnbr.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সহজেই রিটার্ন পূরণ করে নিমিষে অনলাইনে জমা দিতে পারছেন। এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ১০ লক্ষাধিক রিটার্ন দাখিল হয়েছে, যা অত্যন্ত উৎসাহজনক।

এ বছর এনবিআর এক বিশেষ আদেশে ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের প্রবীণ করদাতা, শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা, মৃত করদাতার আইনি প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক ব্যতীত সব ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার জন্য অনলাইন রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে। তবে অব্যাহতিপ্রাপ্ত শ্রেণির করদাতারা ইচ্ছা করলে অনলাইনে জমা দিতে পারবেন।

নিবন্ধন সমস্যায় অনলাইন জমা দিতে অক্ষম করদাতারা ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের কাছে যৌক্তিক কারণসহ আবেদন করলে অনুমোদন সাপেক্ষে কাগজে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। এছাড়া, করদাতার ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধিও অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারছেন।

বিদেশে থাকা বাংলাদেশি করদাতারা পাসপোর্ট নম্বর, এনআইডি, ই-মেইল ইত্যাদি তথ্য [email protected]-এ পাঠিয়ে আবেদন করলে ওটিপি ও রেজিস্ট্রেশন লিঙ্ক পেয়ে সহজে রিটার্ন জমা দিতে পারছেন। কোনো কাগজপত্র আপলোড ছাড়াই আয়-ব্যয়-সম্পদের তথ্য এন্ট্রি করে তাৎক্ষণিক অ্যাকনলেজমেন্ট স্লিপ ও আয়কর সনদ প্রিন্ট নেওয়া যাচ্ছে, ফলে দেশ-বিদেশের করদাতাদের মধ্যে ই-রিটার্ন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

প্রক্রিয়া সহজ করতে এনবিআর করদাতা, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট ও চার্টার্ড সেক্রেটারিদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। সমস্যার সমাধানে কল সেন্টার (০৯৬৪৩ ৭১ ৭১ ৭১), ওয়েবসাইটের ই-ট্যাক্স সার্ভিস অপশন এবং সারাদেশের কর অঞ্চলে হেল্প-ডেস্ক স্থাপিত হয়েছে।

এনবিআর সব করদাতাকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ই-রিটার্ন জমা দিতে অনুরোধ জানিয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত