রাউজান উপজেলা যুবদল কর্মী আলমগীর আলমকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মো. রাজু (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (২ নভেম্বর) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রাজু পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রহমতপাড়ার মৃত নুর নবীর ছেলে
এর আগে আলমগীর হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা হলেন রাউজান কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. রাসেল খান (৩২) ও পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রহমতপাড়ার বাসিন্দা ও যুবদল কর্মী মো. হৃদয় (৩০)। গত ২৫ অক্টোবর বিকেলে রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চারাবটতল বাজার এলাকায় গুলি করে হত্যা করা হয় আলমগীরকে। এ সময় তার স্ত্রী ও সন্তান পেছনে একটি অটোরিকশায় ছিলেন। পাশের গ্রামের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন তারা। আলমের বাড়ি পার্শ্ববর্তী ঢালারমুখ এলাকায়।
পুলিশ জানায়, আলম নিহত হওয়ার দুই দিন পর তার বাবা আবদুস সাত্তার বাদী হয়ে ২১ জনের নামোল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬ থেকে ৭ জনকে আসামি করে রাউজান থানায় মামলা করেন। তবে মামলার এজাহারে রাজুর নাম নেই। তবে ঘটনার তদন্তে হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘যখন অস্ত্রধারীরা আলমগীর আলমকে গুলি করার জন্য কবরস্থানে লুকিয়ে ছিলেন, তখন আলমগীর আলমের পেছনে একটি মোটরসাইকেলে ছিলেন রাজু। তিনি আলমগীরের সহযোগী হিসেবে পরিচিত। তবে হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।
