উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের মর্যাদা, দায়িত্ব ও কাজের পরিমাণের তুলনায় যৌক্তিক বেতন ও পারিতোষিকের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। এতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার) আইন, ২০২১ এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (ছুটি, পেনশন ও বিশেষাধিকার) আইন, ২০২৩-এর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার ৯ আইনজীবী ও চারজন আইনের শিক্ষার্থীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এ রিট আবেদনটি করেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের আর্থিক অবস্থান নিম্নস্তরে রয়েছে। ওই দুই আইনের বিষয়ে আবেদনে বলা হয়, বিচারকদের বেতন, পেনশন ও বিশেষাধিকার এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে যা বাস্তবে তাদের আর্থিক স্বাধীনতা ও প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদাকে ক্ষুণœ করে। এ ছাড়া এ দুই আইনের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের এমন আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যে রাখা হয়েছে যা তাদের বিচারিক স্বাধীনতার সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। বিচারকদের মর্যাদা, দায়িত্ব ও কাজের পরিমাণের তুলনায় আইনে প্রদত্ত বেতন ও পারিতোষিক কাঠামো খুবই অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক।
