শিক্ষদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার 

আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ তক্তাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:৪৭ পিএম

বরগুনার আমতলীতের দক্ষিণ তক্তাবুনিয়া গ্রামে ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ তক্তাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়।  বিদ্যালয়টি এক একর জমির ওপর স্থাপন করা হয়। তখন ১০ কক্ষের টিন শেড থাকলেও এখন অনেক উন্নয়ন হয়েছে। বর্তমানে দুইতলা বিশিষ্ট একটি ভবন রয়েছে। পাশেই রয়েছে টিনশেট কক্ষ।   জন্য  শিক্ষক মিলনায়তন। আরও রয়েছে পাঠাগার,অফিসঘর,আই সি টি ক্লাস রুম। ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ২৯০,শিক্ষকের সংখ্যা ১৪ ও পাঁচজন স্টাফ নিয়ে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলছে।

এছাড়া বিদ্যালয়ে প্রতি সপ্তাহে বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। স্কাউটদের প্রশিক্ষণ, বিজ্ঞানের কক্ষ ও কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে। বিদ্যালয়ে একটা বড় খেলার মাঠ আছে। প্রতি বছর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন রকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। তাছাড়া প্রতিবছর বনভোজনের আয়োজনে পাশাপাশি বিভিন্ন দিবসগুলো পালন করা হয়। বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার ব্যবস্থা অনেক ভালো।এখানে পরীক্ষার ফলাফল সব সময় ভালো হয়। উপজেলার মধ্যে ভালো ফলাফলের জন্য স্কুলটির সুনাম আছে।এখানের শিক্ষক- শিক্ষিকারা অনেক আন্তরিকতার সাথে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান করে থাকেন এবং ছাত্র-ছাত্রীরা খুবই আন্তরিক, বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রীদের সৃজনশীল মেধা আছে। এখানে প্রতিবছর মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পুরস্কৃত করা হয়।এভাবে বিদ্যালয়টিতে শিক্ষকরা গৌরবের সঙ্গে শিক্ষা দান করে যাচ্ছেন।  আর এভাবে বিদ্যালয়টি একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। 

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ বিএম আব্দুস সোবহান বলেন, বিদ্যালয় শুরু থেকে আমি প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছি । বিদ্যলয়টির বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করছি এবং যতটুকু উন্নয়ন করা সম্ভব আমি করছি।এই বিদ্যালয়টি সুশৃঙ্খল। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেক এস এসসি পরীক্ষার ফলাফলে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতম স্থান ধরে রেখেছে। এ বছর এসএসসির ফলাফলে উপজেলায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন।নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের এক অভিভাবক বলেন, বিদ্যালয়টি  সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হলেও একটি ষড়যন্ত্রকারী মহল কোনো কারণ ছাড়াই বিদ্যালয়টির সুনাম নষ্ট করার জন্য অসত্য তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। 

আর এ অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ফুসে উঠেছেন বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।  

বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. এনামুল হক বাচ্চু খান বলেন, বিদ্যালয়টি উপজেলার মধ্যে সুষ্ঠু সুন্দর ব্যবস্থপনায় চলছে। শিক্ষার মান বজায় রেখে পাঠদান করাচ্ছেন শিক্ষকরা। তারপরও একটি ষড়যন্ত্রকারী মহল বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ও বিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অভিভাবক ও এলাকার জনসাধারণ ষড়যন্ত্রকারীদের কঠোর হস্তে দমন করবেন। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত