তিন নম্বরে খেলতে নেমে ১১ বছর পর সেঞ্চুরি সানজামুলের 

আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:১২ পিএম

১১৫ ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচে ৪৩৪ উইকেট আছে সানজামুল ইসলামের। তবে লোয়ার অর্ডারে ব্যাটিংটাও খারাপ করেন না। ৩৪২৪ রান করেছেন। একটা সেঞ্চুরি (১৭২) করেছিলেন সেই ২০১৪ সালে সাত নম্বরে খেলতে নেমে। 

শনিবার ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে এনসিএলের চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচের প্রথম দিন তিন নম্বরে ব্যাট করতে পাঠানো হয়েছিল রাজশাহীর সানজামুলকে। সেঞ্চুরি করে দলকে বাঁচিয়েছেন বলা যায়। আগের তিন ম্যাচের একটিতে জয় পাওয়া রাজশাহীকে প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৭৫ রান করতে সাহায্য করেছে সানজামুলের সেঞ্চুরি। চতুর্থ ওভারে তানজিদ হাসান তামিম ৭ রান করে আউট হওয়ার পর খেলতে নেমে দলকে ২৭১ রানে রেখে নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন এই বাহাতি। মাঝে অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের (৩২) সঙ্গে চতুর্থ জুটিতে ৫০, সাব্বির রহমানের (৪৭) সঙ্গে ৭০ এবং সাকির হোসেন শুভ্রর সঙ্গে ৪৭ রান যোগ করেন সানজামুল। ১৬৭ বলে ১০ চারে পৌছেছেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে। 

ঢাকার আশরাফুল ইসলাম সিয়াম ৪ এবং সালাউদ্দিন শাকিল নিয়েছেন ৩ উইকেট। 

রবিউলের ৫ উইকেট

আগের রাউন্ডে ব্যাটে-বলে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স মেলে ধরেছিলেন রবিউল হক। এবার প্রথম দিনে জ্বলে উঠলেন বল হাতে। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে তৃতীয়বারের মতো শিকার করেন তিনি ৫ উইকেট।

বগুড়ায় এ দিন লড়াই ছিল মূলত রংপুর বিভাগের দুই পেসার রবিউল ও মুকিদুল ইসলামের সঙ্গে বরিশাল বিভাগের ফজলেন মাহমুদের। বরিশালের হয়ে বলতে গেলে একাই লড়াই করে ৮০ রান করেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। রবিউল ৫ উইকেট নেন ২৫ রানে, মুকিদুল ৪৬ রানে ৩টি।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বরিশাল দুই ওপেনার জাহিদউজ্জামান ও ইফতেখার হোসেন ইফতিকে হারায় দ্রুতই। তৃতীয় উইকেটে ৫৩ রানের জুটি গড়েন ফজলে মাহমুদ ও সালমান হোসেন। আগের দুই ম্যাচে ফিফটি ও সেঞ্চুরি করা সালমান আউট হন ২৭ রানে।

পরের সাত ব্যাটসম্যানের মধ্যে কেবল তাসামুল হক (১৬) ও শামসুল ইসলাম (২৩) স্পর্শ করেন দুই অঙ্ক। স্রোতের বিপরীতে দারুণ খেলে ১০ চারে ১৩৩ বলে ৮০ রান করেন ফজলে মাহমুদ।

এক বছর পর লাল বলের ক্রিকেটে নেমে সপ্তম বোলার হিসেবে আক্রমণে এসে তিন ওভার বোলিং করে একটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন।

আইচ-শুভাগতর ফিফটি

কক্সবাজার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে চট্টগ্রাম বিভাগের বিপক্ষে ৯০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান তোলে ময়মনসিংহ বিভাগ। 

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা ময়মনসিংহ শুরুটা ভালো করতে পারেনি। ফর্মে থাকা দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও মাহফিজুল ইসলাম রবিন আউট হন প্রথম ছয় ওভারেই।

পরে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক আজিজুল হাকিম প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম ম্যাচে খেলতে নেমে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। আউট হয়েছেন ৩৬ রান করে। ১০৬ রানে ৫ উইকেট হারানো দলকে উদ্ধার করেন আইচ মোল্লা ও শুভাগত হোম। ষষ্ঠ উইকেটে ৯৬ রান যোগ করেন দুজন।

৬৫ করে আউট হন আইচ, অধিনায়ক শুভাগত করেন ৫৪। এই দুজনকে ফেরানোসহ তিন উইকেট নেন ফর্মে থাকা নাঈম হাসান।

ময়মনসিংহ প্রতিরোধ গড়ে তোলে লোয়ার অর্ডারেও। ২১৩ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর নবম জুটিতে অবিচ্ছিন্ন ৫৮ রানের দারুণ জুটি গড়েন আরিফ আহমেদ ও মারুফ মৃধা।

 
×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত