চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেছেন, ইতিহাস বিকৃত থেকে বাঁচাতে পারে সাহিত্যিকদের লেখনী শক্তি।
তিনি বলেন, লেখক হওয়ার সহজাত গুণ সকলের মধ্যে রয়েছে। সেই গুণকে চর্চার মাধ্যমে জাগিয়ে তুলতে হয়। সাহিত্য হলো জীবনের দর্পণ। সাহিত্য সমাজ, রাষ্ট্রের আয়না স্বরূপ। ইতিহাস বিকৃত থেকে বাঁচাতে পারে সাহিত্য এবং লেখকদের লেখনী শক্তি।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় চট্টগ্রাম নগরের থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে চবির লেখক পরিষদের উদ্যোগে ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় লেখক সম্মেলন’ চবি উপাচার্য এসব কথা বলেন।
আজ এটি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে লেখক সম্মেলনের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইয়াহ্ইয়া আখতার।
লেখকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে দীনবন্ধু মিত্র, কাজী নজরুল ইসলামরা যেভাবে তাদের সাহিত্যে তৎকালীন সমাজের চিত্র তুলে ধরেছেন সেটা চাইলেই কেউ বিকৃত করতে পারবে না। ক্ষুদিরাম বসু ও সূর্যসেনদের যে ইতিহাস সেটা কেউ বিকৃত করতে পারবে না।
ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, বাংলাদেশের ক্রসফায়ারের গল্প, আয়নাঘরের গল্প এগুলো কালের পরিক্রমায় বিকৃত হয়ে যেতে পারে। কারণ এখনকার লেখকরা প্রেমের কবিতা লিখলেও এসব নিয়ে কবিতা লেখে না। শুধু লিখলেই লেখক হওয়া যায় না। একপেশে হয়ে কিংবা পুরস্কার পাওয়ার আশায় লিখে থাকেন অনেকই। সমাজ ও রাষ্ট্রের লেখকদের প্রতি দায় আছে। এসময় উপাচার্য অনুষ্ঠানের সার্বিক সফলতা কামনা করেন।
চবি লেখক পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. ওবায়দুল করিমের সভাপতিত্বে ও আয়েশা হক শিমুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক প্রফেসর ড. হায়াত হোসেন, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. আবুল কাসেম, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. আনোয়ারুল হক ও চবি লেখক পরিষদের নির্বাহী পরিচালক রাশেদ রউফ। আর এতে উপস্থিত ছিলেন লেখক পরিষদের সদস্যরা, শিক্ষক সমাজ, লেখক সমাজ ও সুধীজনরাসহ অন্যান্যরা।
