চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে ডাচ ক্লাব পিএসভির কাছে ৪–১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে লিভারপুল। এই হারে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ ১২ ম্যাচে লিভারপুলের এটি নবম পরাজয়—১৯৫৩ সালের পর যা তাদের সবচেয়ে ভয়াবহ সময় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ম্যাচের মাত্র ষষ্ঠ মিনিটেই ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। অপ্রয়োজনীয়ভাবে হাতে বল লাগিয়ে পেনাল্টি উপহার দেন অধিনায়ক ভার্জিল ফান ডাইক। স্পট-কিক থেকে ইভান পেরিসিচ নির্ভুল শটে গোল করে পিএসভিকে এগিয়ে দেন। ১৬ মিনিটে সমতা ফেরান ডমিনিক সোবোস্লাই। কোডি গাকপোর শট গোলরক্ষক ঠেকালেও ফিরতি বলে সহজ সুযোগ কাজে লাগান এই হাঙ্গেরিয়ান মিডফিল্ডার।
এরপর কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে লিভারপুল। গাকপোর হেড ও ফান ডাইকের হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে। তবে প্রথমার্ধের মাঝামাঝি আবার এগিয়ে যায় পিএসভি। মাউরো জুনিয়রের দারুণ থ্রু-পাস থেকে বল পেয়ে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন গুয়ুস টিল। দ্বিতীয়ার্ধে লিভারপুলের দুর্দশা আরও বাড়ে। বদলি হিসেবে নামা মরক্কান ফরোয়ার্ড কৌহাইব দ্রিউয়েশ প্রথমে রিকার্ডো পেপির শটের রিবাউন্ড থেকে গোল করেন।
যোগ করা সময়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে পিএসভির ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেন তিনি। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ২০০৮ সালে টটেনহ্যামকে ইউরোপা লিগে হারানোর পর প্রথমবার কোনো ইংলিশ ক্লাবকে ইউরোপীয় মঞ্চে পরাজিত করল পিএসভি। পয়েন্ট তালিকায় তারা উঠে গেছে ১৫ নম্বরে। অন্যদিকে লিভারপুল নেমে গেছে ১৩ নম্বরে, শীর্ষ আটে ওঠার লড়াইয়ে চাপ আরও বেড়ে গেল।
এই ম্যাচে প্রত্যাশামতো পারফরম্যান্স দিতে ব্যর্থ হয়েছেন মোহাম্মদ সালাহ। গোলের ভালো সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি। বদলি হয়ে নামা আলেক্সান্দার ইসাকও কোনো প্রভাব ফেলতে পারেননি। রক্ষণভাগে ইব্রাহিমা কোনাতে ও মিলোস কেরকেজের ভুলে বারবার বিপদে পড়ে দল। ম্যাচ শেষে অ্যানফিল্ডে দর্শকদের দুয়োধ্বনি শুনতে হয়েছে কোচ আর্নে স্লটকে। তার ভবিষ্যৎ নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।
মাদুয়েকের প্রথম গোলে বায়ার্নকে উড়িয়ে দিল অপরাজয়ে আর্সেনাল
এমবাপ্পের চার গোলে রিয়ালের নাটকীয় জয়