৭০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে চিকিৎসকের মামলা

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৩৮ এএম

র‌্যাবের দ্বারা নির্যাতন, হয়রানি ও মানহানির অভিযোগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের সাবেক লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং ডিরেক্টর খন্দকার আল মঈনসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ৭০ কোটি ৫০ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করা হয়েছে ঢাকার একটি আদালতে।

গতকাল রবিবার ঢাকার দ্বিতীয় যুগ্ম জেলা জজ মো. আবু ইউসুফের আদালতে চিকিৎসক ইশরাত রফিক ওরফে ডা. ঈশিতা এ মামলাটি করেন। মামলায় অন্যান্য যাদের বিবাদী করা হয়েছে, তারা হলেন র‌্যাব হেডকোয়ার্টারে আইটি স্পেশালিস্ট রাকিব, র‌্যাব হেডকোয়ার্টারে স্কোয়াড্রন লিডার আলী আশরাফ,

র‌্যাব হেডকোয়ার্টারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজিব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আক্তারুজ্জামান, পুলিশ পরিদর্শক খোন্দকার মো. আমির আলি, উপপরিদর্শক মঈনুল হোসেন, উপপরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমান, উপপরিদর্শক মাসুদ রানা, সহকারী উপপরিদর্শক মাহবুব রহমান, কনস্টেবল অপূর্ব চন্দ্র সূত্রাধর, কনস্টেবল মতিউর রহমান, কনস্টেবল মো. মশিউর রহমান, আনসার মোসা. সাজেদা বেগম, আনসার মোছা. সালমা আক্তার, নাসির উদ্দিন, সাজ্জাদ হোসেন, বিমানবাহিনীর উইং কমান্ডার মমিনুল ইসলাম, স্কোয়াড্রন লিডার শহীদ।

বাদী তার অভিযোগে বলেন, ২০২১ সালের ২৮ জুলাই র‌্যাব সদস্যরা বাদিনীকে তার নিজ বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর র‌্যাবের হেডকোয়ার্টারে ভিকটিমকে পাঁচ দিন ধরে আটকে রেখে বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। ওই বছরের ১ আগস্ট র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে ভিকটিমকে উপস্থিত করে মাদক ও জাল সার্টিফিকেটসহ পৃথক তিনটি মামলা দিয়ে তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়। পৃথক তিন মামলায় ভিকটিমকে আটকে রেখে একাধিকবার রিমান্ডেও নেওয়া হয়। ১৪ মাস কারাভোগ শেষে তিনি জামিনে মুক্তি পান। পরে এই মামলাগুলোর কারণে তার ক্যারিয়ার, জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। পাঁচ বছর ধরে বাদী আর্থিক, সামাজিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

বাদী আরও বলেন, এসব মামলার কারণে তার জীবনের সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। তার ক্যারিয়ারও ধ্বংস হয়েছে। তাই উল্লিখিত বিবাদীর কাছ থেকে ৭০ কোটি ৫০ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের ডিক্রি দেওয়ার আবেদন করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত