১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে তালিকাভুক্ত করতে হবে অবিক্রীত মোবাইল

আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৩৭ এএম

দেশের বাজারে অবিক্রীত সব মোবাইল হ্যান্ডসেট ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়মিতকরণের (তালিকাভুক্ত) জন্য এ সংশ্লিষ্ট তথ্য নির্ধারিত ছকে জমা দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ’-এর চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এক সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার কমিশনের কার্যালয়ে মোবাইল ফোন আমদানি ও ভেন্ডর লাইসেন্স তালিকাভুক্তিকরণ সহযোগিতার বিষয়ে বিটিআরসি ও মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ওই সভা হয়।

বিটিআরসি জানিয়েছে, সভায় আরও দুটি সিদ্ধান্ত হয়েছে। যার একটি হলো ন্যূনতম কাগজপত্র দাখিলের মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যে ভেন্ডর এনলিস্টমেন্ট সনদ প্রদান এবং বিদেশ থেকে ক্লোন/কপি/ব্যবহৃত/রিফারবিসড মোবাইল হ্যান্ডসেট বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ রোধকল্পে শুধু মোবাইল ফোনের মূল উৎপাদনকারী সংস্থার পাশাপাশি যেকোনো অনুমোদিত সরবরাহকারীর প্রত্যয়নপত্রসহ (চুক্তির পরিবর্তে) আবেদন করা হলে বিটিআরসি হতে সহজেই তাদের অনুকূলে আমদানির অনুমোদন প্রদান করা হবে।

একই সঙ্গে ক্লোন/কপি/ব্যবহৃত/রিফারবিসড মোবাইল হ্যান্ডসেট বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ রোধের বিষয়টি নিশ্চিত করে আমদানি প্রক্রিয়া কীভাবে আরও সহজ করা যায়, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট লিখিত প্রস্তাব প্রদানের জন্য বিটিআরসির পক্ষ থেকে ‘মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ’-এর প্রতিনিধিদের আহ্বান জানানো হয় সভায়।

বিটিআরসির কর্মকর্তারা জানান, বেতার যন্ত্রপাতি ব্যবহার, বাজারজাতকরণ ও তালিকা গ্রহণের নির্দেশিকা-২০২৪ অনুযায়ী, বৈধভাবে মোবাইল ফোন আমদানি করা হলে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে বিটিআরসি থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়।

মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ এবং বিটিআরসি বলছে, বর্তমানে দেশের বাজারে প্রায় ৫০ লাখ অনিবন্ধিত হ্যান্ডসেট রয়েছে।

দেশের বাজারে অবৈধ মোবাইল ফোন ঠেকাতে বিটিআরসির পক্ষ থেকে এনইআইআর চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত ২৯ অক্টোবর বিটিআরসিতে সংবাদ সম্মেলনে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, এনইআইআর ব্যবস্থা চালু হলে অবৈধভাবে আমদানিকৃত বা নকল মোবাইল সেট ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হবে। এর ফলে সরকার প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রাজত্ব ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে এবং দেশে মোবাইল উৎপাদন শিল্প আরও সুরক্ষিত হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত