টেক্সটাইল খাত বর্তমানে বাংলাদেশে গভীর সংকটে আছে, যেখানে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, আমদানি প্রতিযোগিতা, এবং নীতি সহায়তার অভাবে প্রায় ৫৮টি মিল আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে বলে দাবি বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ)। এতে ১ লাখেরও বেশি শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন। প্রতিকারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে চিঠি পাঠিয়ে খাতের দুর্দশার কথা তুলে ধরছে বিটিএমএ।
সংগঠনটি বলছে, গত এক বছর ধরে পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতি হয়েছে এবং গত তিন মাসে এই প্রবণতা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। বন্ধ কারখানা। বেকার জীবন কাটাচ্ছেন। শিল্প বাঁচাতে খাত সংশ্লিষ্টরা চলতি মাসে বাণিজ্য ও অর্থ মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থার সঙ্গে জরুরি আলোচনা শুরু করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। কারণ এই সংকট পুরো অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিল্প মালিকরা সরকারের কাছে জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ প্রণোদনা, সুতা আমদানিতে সেফগার্ড শুল্ক আরোপ এবং স্থানীয় সুতা কেনার বাধ্যবাধকতা আরোপের মতো সহায়তা চাচ্ছেন।
খাত সংশ্লিষ্টা বলছেন, দেশের ক্রমবর্ধমান পোশাক শিল্পের শক্তিশালী ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ হওয়ার লক্ষ্য টেক্সটাইল মিল মালিকদের। গত তিন দশকে ২৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে এই খাতটি তার সক্ষমতা বাড়িয়েছে। সুতি নিট সুতার ক্ষেত্রে প্রায় শতভাগ এবং ওভেন সুতার ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ চাহিদা পূরণের সক্ষমতা অর্জন করে এটি তৈরি পোশাক শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তবে গত এক বছর ধরে পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতি হয়েছে এবং গত তিন মাসে এই প্রবণতা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।
