ক্রিকেট খেলুড়ে দেশ হিসেবে পরিচিত জিম্বাবুয়ের ফুটবল নিয়ে আলোচনায় খুব কমই হয়। এবার তাদেরকে ২-১ গোলে হারিয়েই আফ্রিকা কাপ অব নেশনস অভিযান শুরু করেছে মিসর। দলের অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহ ইনজুরি কাটিয়ে প্রায় এক মাস পর প্রথম একাদশে ফিরেই যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করে দলকে বড় অস্বস্তি থেকে রক্ষা করেন।
সোমবার গ্রুপ বি–এর ম্যাচে বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ১২৯ নম্বরে থাকা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দীর্ঘ সময় ভুগতে হয় সাতবারের চ্যাম্পিয়ন মিসরকে। উপকূলীয় শহর আগাদিরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জিম্বাবুয়ের জমাট রক্ষণ এবং গোলরক্ষক ওয়াশিংটন আরুবির দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বারবার হতাশ হয় ফারাওরা। ম্যাচ শেষে মিসরের কোচ হোসাম হাসান বলেন, ‘গোলের বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করেছি এবং ভাগ্যও আমাদের পক্ষে ছিল না। তবে পুরো ম্যাচে আমরাই ভালো খেলেছি।’
ম্যাচের ২০ মিনিটে সবাইকে চমকে দেন জিম্বাবুয়ের প্রিন্স দুবে। ইমানুয়েল জালাইয়ের ক্রস প্রথম স্পর্শে নিয়ন্ত্রণে এনে এক ডিফেন্ডারকে ঘুরিয়ে পরের স্পর্শেই বল পাঠান গোলরক্ষক মোহাম্মদ এল শেনাওয়ির পাশ দিয়ে জালে। গোল হজমের পর সতীর্থদের উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেন সালাহ। কিন্তু একের পর এক সুযোগ নষ্ট হতে থাকে। ৩৩ মিনিটে কোচ হোসাম হাসান এমাম আশুরকে তুলে নিলে বেঞ্চে বসে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই মিডফিল্ডার।
এরপর মারমুশের শক্তিশালী শট কর্নারে ঠেলে দেন আরুবি। ত্রেজেগে পেনাল্টি আদায়ের চেষ্টায় ডাইভ দিলে হলুদ কার্ড দেখেন। বিরতির আগে সালাহ, মারমুশ ও বদলি হিসেবে নামা মোস্তাফা মোহাম্মদের একাধিক প্রচেষ্টা জিম্বাবুয়ের রক্ষণে আটকে যায়। বিরতির পরও দেখা যায় একই চিত্র। অবশেষে ৬৪ মিনিটে কঠিন কোণ থেকে গোল করে সমতা ফেরান মারমুশ। এরপর যোগ করা সময়ে নিচের কোণ দিয়ে নিখুঁত শটে গোল করে মিসরকে জয় এনে দেন সালাহ।
এই জয়ে গ্রুপ বি–তে গুরুত্বপূর্ণ ৩ পয়েন্ট পেল মিসর। লিভারপুল তারকা সালাহ এখনো আফ্রিকা কাপের শিরোপা জিততে পারেননি। এটি তার পঞ্চম আসর। অন্য ম্যাচে অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে কঠিন লড়াইয়ে ২-১ গোলে জয় পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই জয়ের মাধ্যমে অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে টানা ৬ ম্যাচ জয়হীন থাকার হতাশা কাটাল প্রোটিয়ারা।
ব্রাজিলের এন্দ্রিককে ফরাসি ক্লাবে ধারে পাঠাল রিয়াল
লুইস এনরিকেকে আজীবন চুক্তির প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে পিএসজি