আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা স্থিতিশীল রাখতে হবে। পুলিশের আইনি কাজে কেউ কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করলে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করতে হবে। গতকাল সোমবার পুলিশ সদর দপ্তরের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় বক্তব্য দেওয়ার মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
ভার্চুয়ালি সভায় সব মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপার যুক্ত ছিলেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রান্তে ছিলেন অতিরিক্ত আইজি (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, ডিআইজি (অপারেশনস) মো. রেজাউল করিম, ডিআইজি (কনফিডেনসিয়াল) মো. কামরুল আহসান প্রমুখ। সভায় নভেম্বর ২০২৫ মাসের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি, সাজাপ্রাপ্ত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, মামলা তদন্ত ও বিচারের ফলাফল, সাজার হার এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।
সভায় আইজিপি বলেন, নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার উদ্ভব হলে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রাক-নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি বাড়াতে হবে। পুলিশের টহল ছাড়াও চেকপোস্টের মাধ্যমে তল্লাশি জোরদার করতে হবে। পুলিশ প্রধান থানা থেকে লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার তৎপরতা বাড়াতে মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। তিনি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ঘোষিত পুরস্কার সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
