আগামী মাসেই ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে বসতে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। এই আসরে অংশ নেবে মোট ২০টি দল। ভারতের কিংবদন্তি স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন মনে করেন, এত বেশি দল নিয়ে প্রাথমিক পর্বের অনেক ম্যাচই দর্শকদের আকর্ষণ করবে না। টুর্নামেন্টের কাঠামো, ঘন ঘন বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা আর অনেকগুলো ছোট ছোট দল বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ায় ম্যাচগুলো দর্শক আকর্ষণ হারাবে বলে তার আশঙ্কা।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে কথা বলতে গিয়ে অশ্বিন বলেন, ‘এবার আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কেউই দেখবে না। ভারত বনাম যুক্তরাষ্ট্র, ভারত বনাম নামিবিয়া—এ ধরনের ম্যাচগুলো আপনাকে কার্যত বিশ্বকাপ থেকে দূরে সরিয়ে দেবে। আগে বিশ্বকাপ চার বছরে একবার হতো। ফলে আগ্রহ ধীরে ধীরে তৈরি হতো। প্রথম রাউন্ডেই ভারত ইংল্যান্ড বা শ্রীলঙ্কার মতো দলের বিপক্ষে খেলত—সেটা অনেক বেশি উপভোগ্য ছিল।’
মাত্র পাঁচ বছরের ব্যবধানে চতুর্থবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এখনও চার বছর পরপর হয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হচ্ছে দুই বছর পরপর। তিনি নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে অশ্বিন বলেন, ‘১৯৯৬, ১৯৯৯ ও ২০০৩ সালে, যখন আমি স্কুলে পড়তাম, তখন চার বছরে একবার বিশ্বকাপ আসত। আমরা বিশ্বকাপ কার্ড সংগ্রহ করতাম, সূচি ছাপিয়ে রাখতাম আর অপেক্ষা করতাম। সেই উত্তেজনা স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হতো।’
অশ্বিনের মতে, টুর্নামেন্টের আকার বাড়ানোর উদ্দেশ্য অবশ্যই ক্রিকেটকে ছড়িয়ে দেওয়া। কিন্তু এর ফলে টুর্নামেন্টের মান ও আকর্ষণ প্রশ্নের মুখে পড়ে যাচ্ছে। শুধু খেলোয়াড়দের ক্লান্তি নয়, দর্শকদের মধ্যেও এক ধরনের বিরক্তি বা অতিরিক্ত ক্রিকেট দেখার ক্লান্তি তৈরি হচ্ছে। এই দর্শক ক্লান্তিই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে। সব মিলিয়ে অশ্বিনের বক্তব্যে উঠে এসেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—ঘন ঘন বড় টুর্নামেন্ট আয়োজন করে কি আদৌ বিশ্বকাপের সেই পুরনো আকর্ষণ ধরে রাখা সম্ভব, নাকি এতে দর্শকদের আগ্রহ ধীরে ধীরে কমে যাবে।
বেতন না পেয়ে বসুন্ধরা কিংস ছাড়লেন কিউবা মিচেল
আর্জেন্টিনার সবচেয়ে দামি ফুটবলার কে? সেরা দশে কারা আছেন?