পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬৪ হেক্টর। এর মধ্যে বীজতলা প্রস্তুত করা হয়েছে ২৩ হেক্টর জমিতে। কৃষি বিভাগ বলছে, অনুকূল আবহাওয়া ও সেচ সুবিধা স্বাভাবিক থাকলে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ মৌসুমে উফশী ও হাইব্রিড জাতের বোরো ধান আবাদে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের মধ্যে উন্নতমানের বীজ, সার ও আধুনিক চাষপদ্ধতি ছড়িয়ে দিতে নিয়মিত পরামর্শ ও মাঠপর্যায়ের তদারকি চলছে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ এলাকায় বীজতলা প্রস্তুতের কাজ শেষ হয়েছে এবং জমি চাষের প্রস্তুতি চলছে।
কৃষি বিভাগ আরও জানায়, উপজেলায় সেচনির্ভর এলাকায় বোরো চাষ বেশি হয়ে থাকে। পাম্প ও গভীর নলকূপের মাধ্যমে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে স্থানীয়ভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে সেচ কার্যক্রমে বড় কোনো সমস্যা হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগের বছরের তুলনায় এ বছর বোরো চাষে আগ্রহ কিছুটা বেড়েছে। উৎপাদন খরচ বাড়লেও ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার আশায় তারা আবাদে ঝুঁকছেন। দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের চরগরবদি এলাকার কৃষক আবদুল কাদের বলেন, সময়মতো পানি ও সার পেলে ভালো ফলনের আশা করছি। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পরামর্শ পাচ্ছি।
তবে কিছু কৃষক সেচ ব্যয় ও সার দামের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারি সহায়তা ও বাজার নজরদারি প্রয়োজন। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইমরান হোসেন জানান, সার ও বীজ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তদারকি জোরদার করা হয়েছে এবং কৃষকদের সমস্যা দ্রুত সমাধানে মাঠকর্মীরা কাজ করছেন।
কৃষি বিভাগ বলছে, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আবাদ সম্পন্ন হলে উপজেলায় বোরো মৌসুমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ধান উৎপাদন হবে। এতে স্থানীয় খাদ্য চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতিও ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জের ৯ উপজেলার গড় তাপমাত্রা ১০.৫ ডিগ্রি 