ভারত সরকার বাংলাদেশে অবস্থিত দেশটির সব মিশনের কূটনীতিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যদের সে দেশে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এ কথা জানায়। গতকাল মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে পিটিআই বলছে, বাংলাদেশে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঢাকায় ভারতীয় মিশনের একটি সূত্র এ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তিন সপ্তাহ আগে ভারত এ সিদ্ধান্ত নিল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, কূটনীতির ভাষায় বাংলাদেশকে একটি ‘নন-ফ্যামিলি’ পোস্টিং হিসেবে বিবেচনা করছে দেশটি। পিটিআই বলছে, ঢাকায় দেশটির হাইকমিশনসহ বাংলাদেশে থাকা পাঁচটি মিশনই ‘নন-ফ্যামিলি’ পোস্টিং হবে। তবে পাঁচটি কূটনৈতিক মিশনই পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। বাংলাদেশে থাকা ভারতের পাঁচ মিশন হলো ঢাকার হাইকমিশন এবং চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটে অবস্থিত চারটি সহকারী হাইকমিশন।
দেশটির আরেক সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের বরাতে একই খবর দিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়াও। উভয় প্রতিবেদনেই নাম প্রকাশে ‘অনিচ্ছুক’ কর্মকর্তাদের বরাত দেওয়া হয়েছে। এমনকি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কারও বক্তব্যও তুলে ধরা হয়নি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর ভাষ্য, ‘নন-ফ্যামিলি’ পোস্টিং ভারতীয় কূটনীতিকদের জন্য সবচেয়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলোর একটি। যুদ্ধের পর ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকা পাকিস্তানে বর্তমানে ‘নো চিলড্রেন’ পোস্টিং রাখা হয়েছে, যেখানে শুধু স্বামী বা স্ত্রী কর্মকর্তাদের সঙ্গে থাকার অনুমতি পাচ্ছেন।
