জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে অনুমোদিত ও সংস্কারকৃত নতুন নীতিমালা উপেক্ষা করে ২০১৬ সালের পুরোনো ও বিতর্কিত নীতিমালায় নিয়োগ প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ জাবি শাখা। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল অটোমেশন বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রশাসনের প্রতি গভীর ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি ও উদ্বেগ তুলে ধরেন ‘জাতীয় ছাত্রশক্তির’ জাবি শাখা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে জানানো হয়, ২০১৬ সালের নীতিমালায় শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ক্লাস ও গবেষণার দক্ষতা, যোগ্যতা ও পারফরম্যান্সের পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন নিশ্চিত হয়নি। এসব সীমাবদ্ধতা দূর করতে পরবর্তীতে নতুন, সংস্কারকৃত ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন করা হলেও আবার পুরোনো নীতিমালায় ফিরে যাওয়ার উদ্যোগ মানে সংস্কার প্রক্রিয়াকে কার্যত অকার্যকর করা।
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল অটোমেশন বাস্তবায়নের বিষয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। শিক্ষক নিয়োগ, ভর্তি, ফলাফল প্রকাশ, প্রশাসনিক ফাইল প্রসেসিং ও তথ্য সংরক্ষণে এখনও আংশিক ও খণ্ডিত ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু থাকলেও তা কার্যকর ও সমন্বিত নয় বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চার দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো শিক্ষক নিয়োগে কার্যকর নতুন নীতিমালা অনুসরণ, পুরোনো ও বিতর্কিত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা, সকল গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল অটোমেশন বাস্তবায়ন এবং নিয়োগ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে ডিজিটাল রেকর্ড ও ট্র্যাকিং সিস্টেম নিশ্চিত করা।
