জামায়াতে ইসলামী জোটের শরিক দলগুলোর জন্য সাতটি আসন ছেড়ে দিলেও সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় শেষ পর্যন্ত ব্যালট পেপারে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বহাল থাকছে। এসব আসনে প্রতীক বাদ দেওয়ার আবেদন জানালেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) না করে দিয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এক চিঠিতে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম মিয়া পরওয়ারকে বিষয়টি অবহিত করেন।
আবেদনে জানানো হয়, নরসিংদী-২ আসনে আমজাদ হোসাইন এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনে মো. আবু নাসেরকে জামায়াত মনোনয়ন দিলেও ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সমঝোতার ভিত্তিতে ওই দুটি আসন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থীদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামায়াতের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে না পারায় প্রতীক প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়।
একইভাবে ভোলা-২, নরসিংদী-৩, নারায়ণগঞ্জ-৩, সুনামগঞ্জ-১ ও চট্টগ্রাম-১২ আসনেও জামায়াত প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহার না হওয়ায় ব্যালটে প্রতীক না রাখার অনুরোধ জানানো হয়। এসব আসন যথাক্রমে এলডিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও নেজামে ইসলাম পার্টির প্রার্থীদের জন্য ছেড়ে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে দলটি।
ইসি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৬(২) উদ্ধৃত করে জানায়, মনোনয়ন প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে চূড়ান্ত মনোনয়ন সম্পর্কে অবহিত না করলে প্রতীক প্রত্যাহারের কোনো সুযোগ নেই। ফলে ব্যালট পেপার থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বাদ দেওয়ার আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়।
ইসির এই সিদ্ধান্তের ফলে জোটের শরিকদের ছেড়ে দেওয়া আসনগুলোতেও জামায়াতের প্রার্থীরা নির্বাচনে বহাল থাকছে।
