গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে ফসলি জমির মাটি কাটার মহোৎসব চলছে। এতে হারিয়ে যাচ্ছে কয়েকশ একর কৃষি জমি। জমিগুলো পরিণত হচ্ছে পুকুরে।
জানা গেছে, উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের বাসুদেবপুর, রাখালবুরুজ ইউনিয়নের আমতলী, হরিরামপুর ইউনিয়নের রামপুরা, যাদুর বাজার ও পাখেড়া, সাপমারা, কাটাবাড়ী, রাজাহার, পানিতলা, সর্দার হাট ও ইসলামপুরে দিনরাত ওভার করে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে।
এসব মাটি সরাসরি চলে যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়। ফলে তিন ফসলি জমিকেও পুকুর বানাচ্ছে মাটিখেকোরা।
উপজেলার নরেঙ্গাবাদ গ্রামের কৃষক আতিকুর রহমান বলেন, মাটি কেটে কৃষিজমিকে পুকুর বানিয়ে ফেলা হয়েছে। ট্রাক ও এমপি থ্রিতে করে মাটি বিভিন্ন ইটভাটায় নেওয়া হচ্ছে।
উপজেলার পৌর এলাকাসহ ১৭ ইউনিয়নে মোট ৩৫ ইটভাটা রয়েছে। প্রতিটি ইটভাটায় প্রচুর পরিমান মাটি পালা করে রাখা হয়েছে। এর বেশি ভাগই হচ্ছে কৃষি জমির মাটি।
এক ইটভাটার মালিক জানান, দিনের বেলায় মাটি কাটলে প্রশাসন ঝামেলা করে। এ জন্য রাতে মাটি সংগ্রহ করা হয়। তারপরও ঝামেলা হলে আতাঁত করে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলা হয়।
উপজেলা কৃষি অফিসার মেহেদী হাসান জানান, জমির প্রথম ৮ থেকে ১০ ইঞ্চিকে বলা হয় টপ সয়েল। এখানে থাকে মাটির জৈব পদার্থ। টপ সয়েল কর্তন করা হলে ওই জমি উর্বরতা শক্তি হারায়। শুধু তাই নয় দীর্ঘমেয়াদী উৎপাদনশীলতা কমিয়ে দেয় এবং ফসল উৎপাদন কমে যায়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামশিদ ইরাম খান বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি অবগত হয়েছি। জড়িতদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা বলেন, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনী নিরাপত্তা সম্পর্কে জানলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত
কিশোর গ্যাং সংশোধনসহ ১৩ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা মামুনুলের