প্রচার, গণসংযোগ আর জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের মন জয় করতে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত চষে বেড়ান রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও শীর্ষ নেতারা। রাত-দিনের কোনো তফাত ছিল না। মিছিলে মিছিলে মুখরিত ছিল এলাকা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও চেষ্টা চালাচ্ছে সব ধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে। যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান চলছে। তারপরও হচ্ছে নির্বাচনী সহিংসতা। আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসীরাও সক্রিয় হয়েছে আগের চেয়ে বেশি। অভিযোগ উঠেছে কোনো কোনো প্রার্থী সন্ত্রাসীদের নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করছেন।
ইতিমধ্যে সোমবার রাতে নেত্রকোনার সদর উপজেলার পারলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বামনমোহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নুরপুর শ্রীধরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পূর্বধলা উপজেলার হোগলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
পুলিশের একটি গোপন প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে, জাতীয় নির্বাচনের পরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা আছে। বিশেষ করে, পুলিশকে বেশি ভোগাবে বৈধ ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র এবং সন্ত্রাসীরা। এখনো অনেকেই বৈধ অস্ত্র জমা দেননি। যারা অস্ত্র জমা দেননি, তাদের তথ্য সংগ্রহ করতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বিশেষ বার্তা দিলেও কাজে আসছে না। আবার সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র আসছে। কারাগার থেকে বের হওয়া দাগি অপরাধী ও ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় যেসব আসামি কারাগার থেকে পালিয়ে গেছে, তাদের নিয়েই বেশি দুশ্চিন্তা পুলিশে। তা ছাড়া থানা থেকে লুণ্ঠিত আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার হয়নি। তবে নির্বাচন ঘিরে তিনস্তরের সমন্বিত ও নজিরবিহীন নিরাপত্তাছক চূড়ান্ত করে এনেছে পুলিশ সদর দপ্তর। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীসহ প্রতিটি বাহিনীর সদস্যরা প্রস্তুত হয়েছেন। ভোটকেন্দ্রে যেকোনো ধরনের সহিংসতা মোকাবিলায় ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনা করে লাল-হলুদ-সবুজ তিন ক্যাটাগরিতে ভোটকেন্দ্র ভাগ করা হয়েছে। সেখানে অস্ত্রধারী পুলিশ, আনসার ও গ্রামপুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে। তা ছাড়া কেন্দ্রভিত্তিক মোবাইল টিম এবং থানায় স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ২৩ জেলা বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি। পতিত আওয়ামী লীগ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। সন্ত্রাসীদের ধরতে প্রতিদিনই অভিযান চলছে। যারা বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেননি, তাদের তথ্য সংগ্রহ করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দ্রুত সময়ে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। ভোটের আগে ও পরে পুলিশ সতর্ক থাকবে। পুলিশের কোনো সদস্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার প্রমাণ মিললে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
গতকাল আইজিপি ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনেও বলেছেন, ভোটে অস্ত্র একটি থ্রেট। অপরাধীদের রুখতে যা যা করা দরকার, তাই করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো চিহ্নিত করে কড়া নজরদারি করা হচ্ছে।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নিয়ে নতুন ছক : সারা দেশে ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। কেন্দ্রের ঝুঁকি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এসব কেন্দ্রকে তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। লাল (অধিক গুরুত্বপূর্ণ) কেন্দ্রের সংখ্যা ৮ হাজার ৭৭০টি, হলুদ (গুরুত্বপূর্ণ) কেন্দ্রের সংখ্যা ১৬ হাজার ৬৭৫টি ও সবুজ (সাধারণ) কেন্দ্রের সংখ্যা ১৭ হাজার ৩২৪টি চিহ্নিত করে নিরাপত্তার ছক তৈরি করেছে। পুলিশ সদর দপ্তরের নিরাপত্তার পরিকল্পনা অনুযায়ী, লাল ক্যাটাগরির ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোয় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতি কেন্দ্রে অস্ত্রধারী পুলিশ ও আনসারসহ ১৬ থেকে ১৭ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে। হলুদ ও সবুজ ক্যাটাগরির কেন্দ্রগুলোতেও অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্যসহ গড়ে ১৫ থেকে ১৬ জন নিরাপত্তাকর্মী দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া প্রতি চার থেকে পাঁচটি কেন্দ্রের জন্য আলাদা করে একটি মোবাইল টিম থাকবে। মহানগর ও জেলার প্রতিটি থানার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে থাকবে আলাদা স্ট্রাইকিং ফোর্স, যারা যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দ্রুত হস্তক্ষেপ করবে। ভোটকেন্দ্রে স্থায়ী ডিউটিতে থাকবেন ৯৪ হাজার ৩০০ পুলিশ সদস্য, মোবাইল ডিউটিতে থাকবেন ২৮ হাজার ও স্ট্রাইকিং ফোর্সে থাকবেন ২৭ হাজার ৭০০ জন।
তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা : পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, নির্বাচনকালীন পেশাদারিত্ব, মানবাধিকারসম্মত আচরণ এবং জেন্ডার সংবেদনশীল পুলিশিং নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ১ লাখ ৭ হাজার ৫৮২ জন পুলিশ সদস্য এই প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। নির্বাচনের আগের দিন বাকি ১ লাখ ৫০ হাজার সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া শেষ হবে। ওই প্রশিক্ষণে ঢাকা ও রাজশাহীতে দুই ধাপে ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকরা অংশ নিচ্ছেন। বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার সদস্যসহ ২ লাখ ১২ হাজার পুলিশ সদস্য কাজ করছেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মাঠে থাকবেন ১ লাখ ৮৭ হাজার সদস্য। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৫৮ হাজার স্ট্রাইকিং ফোর্স, ভ্রাম্যমাণ ডিউটি ও ভোটকেন্দ্রে থাকবেন। বাকি ২৯ হাজার সাপোর্ট সদস্য হিসেবে থাকবেন। সাত দিন দায়িত্ব পালন করবেন তারা। নির্বাচনের আগের চার দিন, ভোটের দিন ও নির্বাচনের পর দুদিন পর্যন্ত তারা মাঠে থাকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এবারের নির্বাচনে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই প্রথম বডিওর্ন ও সিসি ক্যামেরা এবং ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। ভোটকেন্দ্রে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার তথ্য ও ছবি তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাপে চলে আসবে।
শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নিয়ে যত ভয় : আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও তাদের গ্রুপের সদস্যদের নিয়ে পুলিশের বিশেষ ইউনিট কিছুদিন আগে ‘গোপন নথি’ পাঠিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তরে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রচারে বাধা দেওয়া, ভোটকেন্দ্র দখল, ভোটারদের ভয় দেখানো বা বিরোধীপক্ষকে চাপে রাখতে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সদস্যদের ভাড়াটে হিসেবে ব্যবহারের ঝুঁকি আছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে বা আত্মগোপনে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীরা এবার নির্বাচন সামনে রেখে নতুন করে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। দেশের বাইরে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীরা স্থানীয় সহযোগীদের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও দিকনির্দেশনা দিচ্ছে। তারা অবৈধ চ্যানেলে সহযোগীদের কাছে দেশে অর্থ পাঠাচ্ছে, যা তাদের নেটওয়ার্ক সক্রিয় রাখা এবং নির্বাচনী কার্যক্রমকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করবে। পাশাপাশি আওয়ামী লীগও তাদের কাজে লাগাচ্ছে।
কারাগার থেকে বের হওয়া সন্ত্রাসীদের ব্যবহার : পুলিশও নিশ্চিত হয়েছে, আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নির্দেশে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, জমি দখল, মাদক কারবারের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে খুনোখুনি হচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হচ্ছে কিশোর গ্যাংদের। জামিনে মুক্ত হয়ে মোহাম্মদপুর, তেজগাঁও, ফার্মগেট, মতিঝিল, মগবাজার ও পুরান ঢাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মরিয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীদের কয়েকজন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শীর্ষ সন্ত্রাসী আব্বাস আলী ওরফে কিলার আব্বাস, সুইডেন আসলাম, ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল, সানজিদুল ইসলাম ওরফে ইমন, খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন, খোরশেদ আলম ওরফে ফ্রিডম রাসু কারাগার থেকে মুক্তি পান। আর মোল্লা মাসুদ ভারত থেকে দেশে ফিরে আসেন। আমেরিকা থেকে দেশে ফেরেন আমিন রসুল সাগর ওরফে টোকাই সাগর। এরপরই তারা এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। কোনো কোনো প্রার্থী নির্বাচনে তাদের ব্যবহার করছেন।
১৮ রাজনৈতিক হত্যাকা- : এবারের নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলনসহ নিবন্ধিত ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। প্রার্থীর সংখ্যা ২০৩৪ জন। এর মধ্যে ২৭৫ জন স্বতন্ত্র। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি। তফসিল ঘোষণার পর এ পর্যন্ত ১৮টি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, প্রতিদ্বন্দ্বী সমর্থকদের মধ্যে ১৮০টি সংঘর্ষ, ২৮টি অবরোধ, প্রার্থীর ওপর আক্রমণ ৪২টি ও প্রচারে বাধা দেওয়ার ১১৯টির মতো ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যে ৩২ জেলাকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। এসব জেলায় বেশি সহিংসতা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর মধ্যে গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, পটুয়াখালী, বাগেরহাট, মাগুরা, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কুমিল্লা, ঢাকা, সিরাজগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও লক্ষ্মীপুর অন্যতম।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে আমাদের দুই ধরনের পুলিশিং ব্যবস্থা চলমান আছে। গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করেছি। এই ব্যাপারে নানামুখী প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। সেখানে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতার বিষয়টি সামনে এসেছে। ওইসব তথ্য যাচাইয়ের পর দ্রুতই অ্যাকশনে যাবে পুলিশ।’
লুট হওয়া অস্ত্র পুলিশের বড় উদ্বেগ : পুলিশের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হচ্ছে লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্র এখনো পুরোপুরি উদ্ধার না হওয়া। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সহিংস ঘটনায় লুট হওয়া পাঁচ হাজারের বেশি অস্ত্রের মধ্যে অধিকাংশ উদ্ধার হলেও এখনো ১ হাজার ৩২০টি অস্ত্র উদ্ধার বাকি রয়েছে। এসব অস্ত্র যদি অপরাধী চক্রের হাতে সক্রিয় থাকে, তাহলে নির্বাচনকালীন সহিংসতার মাত্রা বহুগুণে বাড়তে পারে।
রেকর্ডসংখ্যক ৯৩৪৯২৭ সদস্য নিরাপত্তায় : দেশের ইতিহাসে এবার ঢাকাসহ সারা দেশে সশস্ত্র, পুলিশসহ অনন্যা বাহিনীর সর্বাধিক সদস্য ভোটের নিরাপত্তায় থাকবেন। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১ লাখ, পুলিশের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩, বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০, নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩, কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫, র্যাবের ৭ হাজার ৭০০, আনসারের ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪ ও ফায়ার সার্ভিসের ১৩ হাজার ৩৯০ জন সদস্য থাকবেন। তাদের মধ্যে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন করে আনসার সদস্য থাকবেন। প্রতি কেন্দ্রে দুজন সদস্য বাড়তি দায়িত্ব হিসেবে সুরক্ষা অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখেই ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টিতে বিজিবি নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় এককভাবে নির্বাচনী দায়িত্বে আছে বাহিনীটি। উপজেলাভেদে ২ থেকে ৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির র্যাপিড অ্যাকশন টিম এবং হেলিকপ্টারসহ কুইক রেসপন্স ফোর্স ও ডগ স্কোয়াড ইউনিটও প্রস্তুত থাকছে। র্যাব আলাদাভাবে প্রতিটি কেন্দ্রে টহল দেবে। ১০০ প্লাটুন উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকায় ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে কোস্ট গার্ড। প্লাটুনগুলো স্থল ও জলভাগে বিভক্ত হয়ে নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, কক্সবাজার, বরিশাল, ভোলা ও পটুয়াখালীর নির্ধারিত নির্বাচনী এলাকার ৬৯টি ইউনিয়নের ৩৩২টি কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকবে। সশস্ত্র বাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
