প্রিমিয়ার লিগে ২৫ ম্যাচ শেষে শীর্ষে থাকা আর্সেনালের সঙ্গে ৬ পয়েন্ট ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল ম্যানচেস্টার সিটি। ২৬তম ম্যাচের পর সেই ব্যবধান নেমেছিল চারে। রবিবার নিউক্যাসলের বিপক্ষে ২-১ গোলে সিটির জয়ের পর সেই ব্যবধান এখন মাত্র ২ পয়েন্টের। গত বৃহস্পতিবার রাতে তালিকায় তলানির দল উলভারহ্যাম্পটনের বিপক্ষে ড্র করে পয়েন্ট খোয়ায় আর্সেনাল। এরপর নিজেদের কাজটা ঠিকমতো করতে পেরে গার্দিওলার সে কী আনন্দ! প্রিমিয়ার লিগে শিরোপা দৌড়ের নিয়ন্ত্রণ যে এখন গার্দিওলার দলের হাতেও।
লিগে সিটি আর খেলবে ১১ ম্যাচ। এর মধ্যে আর্সেনাল-সিটি ম্যাচও আছে। এখন সিটি যদি ঘরের মাঠে আর্সেনালের বিপক্ষে ম্যাচসহ তাদের হাতে থাকা ১১ ম্যাচই জেতে তাহলে চ্যাম্পিয়ন তারাই হবে। আর্সেনালের ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যায়। এপ্রিলে ইতিহাদে সিটির বিপক্ষে ম্যাচসহ তারা যদি হাতে থাকা ১১ ম্যাচই জিততে পারে, তাহলে মিকেল আর্তেতার দলই চ্যাম্পিয়ন হবে। ২৭ ম্যাচে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল। সমান ম্যাচে ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে সিটি। (গতরাতে টটেনহ্যামের সঙ্গে খেলেছে আর্সেনাল)
তবে গার্দিওলা বেঁচে গেছেন কারণ নিউক্যাসলের বিপক্ষে ম্যাচটি ড্রও হতে পারত, যদি ৯৫ মিনিটে দারুণ এক সেভ না করতেন সিটি গোলকিপার জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা। তার আগে প্রথমার্ধের ১৪ ও ২৭ মিনিটে জোড়া গোল করেন সিটির লেফট ব্যাক নিকো ও’রাইলি। ম্যাচের আরেকটি গোলও হয়েছে এই অর্ধেই। ২২ মিনিটে গোল করেন নিউক্যাসল লেফট ব্যাক লুইস হল।
গার্দিওলা এতটাই খুশি হয়েছেন যে জয়ের পর বলেছেন তার খেলোয়াড়রা ‘জীবনকে উপভোগ’ করতে তিন দিনের ছুটি পেতে পারে, ‘এখন আমাদের তিন দিন ছুটি। আমি তাদের বলেছি, এই তিন দিনে তোমাদের যা করতে হবে তা হলো প্রচুর ‘কাইপিরিনহা আর ডাইকিরি’ (ককটেল) খেয়ে জীবনটা উপভোগ করা।’ তারপর অনুশীলনে ফিরে আগামী শনিবার লিডস ইউনাইটেডের মুখোমুখি হবে গার্দিওলার দল। তিনি বলেছেন, ‘বিশাল জয়। নিউক্যাসল অবিশ্বাস্য দল। আক্রমণভাগে তাদের শারীরিক সক্ষমতা ও গতি দুর্দান্ত। মাঝমাঠেও শারীরিকভাবে সক্ষম। ম্যাচটি ভীষণ কঠিন ছিল তবে আমাদের দলটি ছিল অবিশ্বাস্য। আজকের ম্যাচে যা ঘটেছে সেটা পরবর্তী ১১ ম্যাচেও হবে। সব ম্যাচেই এমন লড়াই হবে।’